উপুল থারাঙ্গা এর জীবনী | Biography Of Upul Tharanga
উপুল থারাঙ্গা এর জীবনী | Biography Of Upul Tharanga
| ব্যক্তিগত তথ্য | |
|---|---|
|
পূর্ণ নাম |
ওয়ারুশাভিথানা উপুল থারাঙ্গা
|
| জন্ম | ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৫ বালাপিতিয়া, শ্রীলঙ্কা |
|
উচ্চতা |
৫ ফুট ১১ ইঞ্চি (১.৮০ মিটার) |
|
ব্যাটিংয়ের ধরন |
বামহাতি |
|
ভূমিকা |
উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান, মাঝে-মধ্যে উইকেট-রক্ষক, অধিনায়ক |
ওয়ারুশাভিথানা উপুল থারাঙ্গা
(সিংহলি: උපුල් තරංග); জন্ম: ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৫) বালাপিতিয়ায় জন্মগ্রহণকারী শ্রীলঙ্কান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। সচরাচর তিনি উপুল থারাঙ্গা নামেই সমধিক পরিচিত। শ্রীলঙ্কা দলে একাধারে বামহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান এবং উইকেট-রক্ষকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে থাকেন।
আন্তর্জাতিক অঙ্গন
২০০৬ সালের ইংল্যান্ড সফরে একদিনের ক্রিকেটে বেশ উন্নয়ন ঘটে থারাঙ্গা’র। সিরিজে তিন শতাধিক রান করলেও স্বাগতিক ইংল্যান্ডের কাছে ৫-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয় শ্রীলঙ্কা দল। তবে চূড়ান্ত খেলায় সনাথ জয়াসুরিয়া’র সাথে প্রথম উইকেট জুটিতে নতুন রেকর্ড গড়েন। ঐ খেলায় তিনি ১০২ বলে ১০৯ রান করেন।
২০০৭ সালের বিশ্বকাপ ক্রিকেটে তার ক্রীড়াশৈলী দূর্বলতর হতে থাকে। প্রতিযোগিতায় তিনি কেবলমাত্র নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অর্ধ-শতক করেন। এরপর ২০০৭ সালে নিজ দেশে অনুষ্ঠিত ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এ ধারা অব্যাহত থাকে। প্রায়শঃই ১০ম ওভারের পূর্বে আউট হয়ে যাওয়ায় মাঝারিসারির পতন হতে থাকে। এরফলে দলে থাকাবস্থায় একদিনের ক্রিকেটে মালিন্দা ওয়ার্নাপুরা এবং টেস্ট ক্রিকেটে মাইকেল ভ্যানডর্টের কাছে নিজ স্থানচ্যুত হন।
প্রারম্ভিক জীবন
আম্বালাঙ্গোদা এলাকার ধর্মসোকা কলেজে অধ্যয়ন করেন উপুল থারাঙ্গা। বিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন কিশোর অবস্থাতেই ক্রিকেটের সাথে জড়িয়ে পড়েন। ১৫ বছর বয়সে নন্দেস্ক্রিপ্টস দলে খেলেন। এরপর শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেলেন। ২০০৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে সফলভাবে অংশগ্রহণ করেন। এরপর শ্রীলঙ্কান ক্রিকেটিং বোর্ডের তরফে এসেক্সের লটন ক্রিকেট ক্লাবের পক্ষ হয়ে লীগ ক্রিকেট খেলেন।
২০০৫ সালটি মিশ্রভাবে কাটে থারাঙ্গা’র। এ বছরই যেমন শ্রীলঙ্কার জাতীয় দলে ডাক পান, তেমনি এশীয় সুনামিতে তার পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়ে। এরফলে তিনি কুমার সাঙ্গাকারা’র খেলার সরঞ্জামাদি ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছেন। এ দল থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে পূর্ণাঙ্গ দলের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।
অবসান করুনারত্নে যুগের! শ্রীলঙ্কার টেস্টে নয়া অধিনায়ক ধনঞ্জয়া ডি সিলভা;
শ্রীলঙ্কার প্রধান নির্বাচক উপুল থারাঙ্গা (Upul Tharanga) নিশ্চিত করেছেন যে দিমুথ করুনারত্নের (Dimuth Karunaratne) পরিবর্তে টেস্টে অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধনঞ্জয়া ডি সিলভাকে (Dhananjaya de Silva)। করুণারত্নে ৩০টি টেস্টে অধিনায়কত্ব করেন, যেখানে ১২টি জয়, ১২টি জয় এবং ছয়টি ম্যাচ ড্র করান। তার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য জয়টি আসে ২০১৯ সালের গোড়ার দিকে, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকায় বিপক্ষে একমাত্র এশিয়ান দল হিসাবে স্মরণীয় টেস্ট সিরিজ জয় নিশ্চিত করেন তিনি। করুণারত্নে ২০১৯ সালে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের উত্তাল সময়ে শাসনভার গ্রহণ করেন, এবং তার সাথে ড্রেসিংরুমে স্থিতিশীলতা এনে দেন। জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর গড় ছিল কেরিয়ার সেরা ৪৯.৮৬, এই সময়ে তিনি টেস্ট ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে পৌঁছান তিনি এবং শ্রীলঙ্কার শীর্ষে একজন নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান হিসাবে নিজেকে প্রমাণ করেন। তাঁর স্থানে আসা ধনঞ্জয়ও জাতীয় দলের প্রধান ভরসা। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট দিয়ে শুরু হবে তাঁর দায়িত্ব। Latest ICC Test Ranking: টেস্টে সেরা অলরাউন্ডার জাদেজা-অশ্বিন, ব্যাটিংয়ে সেরা দশে বিরাট; দেখুন সম্পূর্ণ তালিকা
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বললেন উপুল থারাঙ্গা
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন উপুল থারাঙ্গা। মঙ্গলবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বিবৃতিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন শ্রীলঙ্কার বাঁহাতি এ ওপেনার। তিন ফরম্যাটে ১৫ বছর শ্রীলঙ্কার প্রতিনিধিত্ব করেছেন ৩৬ বছর বয়সী থারাঙ্গা। দেশের হয়ে ৩১ টেস্ট, ২৩৫ ওয়ানডে ও ২৬ টি-২০ খেলেছেন তিনি।
শ্রীলঙ্কার জার্সিতে শেষবার আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন থারাঙ্গা ২০১৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। তারপর আর ম্যাচ খেলা হয়নি তার। টেস্টে ৩টি, ওয়ানডেতে ১৫টি সেঞ্চুরি রয়েছে তার।
অবসরের ঘোষণা দিয়ে থারাঙ্গা লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি ১৫ বছরের বেশি ক্রিকেট ক্যারিয়ারকে বিদায় বলার সময় এসেছে। এই সময়টায় দারুণ কিছু স্মৃতি ও দুর্দান্ত বন্ধুদের সঙ্গে এই পথে চলেছি। সবসময় আমার উপর বিশ্বাস ও আস্থা রাখার জন্য আমি শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
| আন্তর্জাতিক তথ্য | |
|---|---|
| জাতীয় দল |
|
| টেস্ট অভিষেক (ক্যাপ ১০৩) |
১৮ ডিসেম্বর ২০০৫ বনাম ভারত |
| শেষ টেস্ট | ১৫ মার্চ ২০১৭ বনাম বাংলাদেশ |
| ওডিআই অভিষেক (ক্যাপ ১২৫) |
২ আগস্ট ২০০৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ |
| শেষ ওডিআই | ১ এপ্রিল ২০১৭ বনাম বাংলাদেশ |
| ওডিআই শার্ট নং | ৪৪ |
| টি২০আই অভিষেক (ক্যাপ ১১) |
১৫ জুন ২০০৬ বনাম ইংল্যান্ড |
| শেষ টি২০আই | ৬ এপ্রিল ২০১৭ বনাম বাংলাদেশ |
| খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ২২ জুলাই ২০২০
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||
sourse: latestly: ittefaq: wikipeda
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0