স্টিভ স্মিথ এর জীবনী Biography Of Steve Smith

স্টিভ স্মিথ এর জীবনী Biography Of Steve Smith

May 24, 2025 - 23:39
Jun 20, 2025 - 11:34
 0  1
স্টিভ স্মিথ এর জীবনী  Biography Of Steve Smith

ব্যক্তিগত তথ্য

পূর্ণ নাম

স্টিভেন পিটার ডেভেরিউক্স স্মিথ

জন্ম

২ জুন ১৯৮৯ (বয়স ৩৫)
সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

ডাকনাম

স্মিথি বয়, স্মাজ

উচ্চত

১.৭৫ মি.

ব্যাটিংয়ের ধরন

ডানহাতি

বোলিংয়ের ধরন

ডানহাতি লেগ ব্রেক

ভূমিকা

অল-রাউন্ডার

প্রারম্ভিক জীবন

২৪ জানুয়ারি, ২০০৮ তারিখে নিউ সাউথ ওয়েলসের পক্ষে তার প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে। সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত ঐ খেলায় ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে অনুষ্ঠিত একমাত্র ইনিংসে ৩৩ রান করেছিলেন।

২০০৮ সালের কেএফসি ২০/২০ প্রতিযোগিতায় তিনি সর্বাধিক উইকেট লাভকারী বোলার ছিলেন। কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে ৪/১৫-সহ সর্বমোট ৫ খেলার চারটিতে অংশগ্রহণ করে ৯ উইকেট লাভ করেন তিনি। তিনি প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় সেরা খেলোয়াড় ছিলেন।

২০০৯ সালের টুয়েন্টি২০ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জয়ী নিউ সাউথ ওয়েলস দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি।

২০০৮ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ

২০০৮ এর যুব বিশ্বকাপ খেলেন তিনি। যদিও সে বিশ্বকাপে কোয়াটার ফাইনালে হেরে যায় অস্ট্রেলিয়া। তার তৎকালীন প্রতিদ্বন্দ্বীরা ছিলেন বিরাট কোহলি, দীনেশ চান্দিমাল, রবীন্দ্র জাদেজা প্রমুখ।

অধিনায়কত্ব

ডিসেম্বর, ২০১৪ সালে দলে স্থায়ীভাবে সহঃ অধিনায়ক মনোনীত হন। ২০১৪-১৫ মৌসুমে সফরকারী ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত টেস্ট সিরিজে অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের আহত হওয়া ও এ প্রেক্ষিতে সিরিজ থেকে বাদ পড়ার প্রেক্ষিতে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। এছাড়াও তিনি ক্লার্কের ফিল্ডিং অবস্থান স্লিপে দাঁড়ান।

১৮ জানুয়ারি, ২০১৫ তারিখে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত কার্লটন মিড ত্রি-দেশীয় সিরিজের ২য় খেলায় ধীরগতিতে ওভার করার ফলে নিয়মিত অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক জর্জ বেইলিকে ম্যাচ ফি'র ২০% জরিমানাসহ এক খেলার জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়। এরফলে হোবার্টে অনুষ্ঠিত সিরিজের ৪র্থ খেলায় স্টিভ স্মিথ দলের অধিনায়কত্ব করেন। ২০১৮ সালে সাউথ আফ্রিকা সফরের ৪র্থ টেস্টে বল টেম্পারিং এর অভিযোগে স্মিথ নিষেধাজ্ঞা পান ও অধিনায়কত্ব হারান।

স্টিভেন পিটার ডেভেরিউক্স স্টিভ স্মিথ

(ইংরেজি: Steven Peter Devereux "Steve" Smith; জন্ম: ২ জুন, ১৯৮৯) সিডনিতে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। মূলত অল-রাউন্ডার হিসেবেই অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলে খেলছেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক ছিলেন। ডানহাতে ব্যাটিং করার পাশাপাশি ডানহাতে লেগ স্পিন বোলিং করে থাকেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি নিউ সাউথ ব্লুজ এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে রাজস্থান রয়্যালস, দিল্লি ক্যাপিটালস দলের হয়ে খেলছেন। এছাড়াও ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত মাতার সন্তান   

স্টিভ স্মিথ 

কেন্টের দ্বিতীয় একাদশ, নিউ সাউথ ওয়েলস, সাদারল্যান্ড ক্রিকেট ক্লাব এবং ইলাওং ম্যানাই ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলেছেন। শুরুতে তিনি অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে অল-রাউন্ডার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হলেও বর্তমানে তিনি মূলত ব্যাটসম্যান হিসেবে অংশ নিচ্ছেন। ১৬ জুলাই, ২০১৫ তারিখে সর্বকালের সেরাদের তালিকায় টেস্ট ব্যাটিংয়ে ৯৩৬ রেটিং নিয়ে ১০ম স্থানে পৌঁছেন। তিনি অনেকবার টেস্ট ব্যাটিং র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানে গেছেন। 

দুবাই:

স্টিভ স্মিথ (Steve Smith)। অস্ট্রেলিয়ার (Australia) ক্রিকেটার একজন বড় তারকা। আবার নানা কারণে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। তবে এ বার কোনও বিতর্কের জন্য। প্রস্তুতি ম্যাচে দুরন্ত একটা ক্যাচ নিয়ে নেট দুনিয়ার ঝড় তুলেছেন প্রাক্তন অজি অধিনায়ক। বাউন্ডারি লাইনে দাঁড়িয়ে সতীর্থ অ্যাস্টর অ্যাগারের সঙ্গে রিলে ক্যাচ স্টিভ স্মিথের।টি২০ বিশ্বকাপের (ICC T20 World Cup) অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড প্রস্তুতি ম্যাচের ১৮ ওভারের শেষ বল। কেন রিচার্ডসনের বল তুলে খেললেন নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাক মিচেল স্যান্টনার। টিভি ক্যামেরায় দেখে মনে হচ্ছিল লম্বা ছয়। কিন্তু বল যতটা ওপরে উঠেছিল ততটা দূরে যায়নি। একেবারে বাউন্ডারি লাইনে বল। স্টিভ ধরলেন, কিন্তু বুঝলেন আর এক পা এগোলেই তিনি ও বল লাইনের ওপারে। স্মিথের সামনেই তখন দাঁড়িয়ে অ্যাস্টন অ্যাগর। স্টিভ বলটা ঠেলে দিলেন অ্যাস্টনের দিকে। নিজে চলে গেলেন বাউন্ডারির বাইরে। অফিসিয়াল হিসেবে ক্যাচে নাম থাকবে অ্যাস্টন অগ্যারের। কিন্তু আসলে ক্যাচটা স্টিভ স্মিথ না থাকলে সম্ভব হত না। এই ক্যাচের ভিডিওটাই শেয়ার করেছে আইসিসি। সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে আইসিসি লিখেছে টেক এ বাউ স্টিভ স্মিথ।

সম্মাননা

২০১২ সালে মাইকেল ক্লার্কের পর প্রথম অস্ট্রেলীয় হিসেবে স্টিভেন স্মিথ আইসিসি’র টেস্ট ব্যাটিং র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানে প্রবেশ করেন। ২০১৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের পূর্বে তার অবস্থান ছিল ৪। কিন্তু ঐ সফরে বেশ ভাল ব্যাটিং করে কুমার সাঙ্গাকারা, এবি ডি ভিলিয়ার্স  হাশিম আমলাকে টপকিয়ে শীর্ষস্থানে চলে যান।

কিংস্টনে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১৯৯ রান তোলেন। তার এ রান অস্ট্রেলিয়ার বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ও তিনি ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন। ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের ঐ সিরিজে তিনি প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং অর্ডারের ৩ নম্বরে নামেন। ডি ভিলিয়ার্সকে সরিয়ে এ বছরের জানুয়ারি থেকে সাঙ্গাকারা ১ নম্বরে অবস্থান করছিলেন। এর পূর্বের মাসেই সাঙ্গাকারার কাছ থেকে ভিলিয়ার্স শীর্ষস্থানে প্রবেশ করেছিলেন।

sourse;   wikipedia ... ,tv9bangla

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Angry Angry 0
Sad Sad 0
Wow Wow 0