মার্ক অ্যাডায়ার এর জীবনী | Biography of Mark Adair

মার্ক অ্যাডায়ার এর জীবনী | Biography of Mark Adair

May 24, 2025 - 11:00
Jun 1, 2025 - 15:03
 0  0
মার্ক অ্যাডায়ার এর জীবনী | Biography of Mark Adair

ব্যক্তিগত তথ্য

পূর্ণ নাম

মার্ক রিচার্ড অ্যাডায়ার

জন্ম

২৭ মার্চ ১৯৯৬ (বয়স ২৯)
হলিউড, কাউন্টি ডাউন, উত্তর আয়ারল্যান্ড

উচ্চতা

৬ ফুট ৪ ইঞ্চি (১.৯৩ মিটার)

ব্যাটিংয়ের ধরন

ডানহাতি

বোলিংয়ের ধরন

ডানহাতি ফাস্ট-মিডিয়াম

ভূমিকা

অলরাউন্ডার

সম্পর্ক

রস অ্যাডায়ার (ভাই)

আন্তর্জাতিক তথ্য

জাতীয় দল

  • আয়ারল্যান্ড (২০১৯-বর্তমান)

টেস্ট অভিষেক (ক্যাপ ১৭)

২৪ জুলাই ২০১৯ বনাম ইংল্যান্ড

শেষ টেস্ট

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ বনাম আফগানিস্তান

ওডিআই অভিষেক (ক্যাপ ৫৫)

৩ মে ২০১৯ বনাম ইংল্যান্ড

শেষ ওডিআই

১৭ ডিসেম্বর ২০২৩ বনাম জিম্বাবুয়ে

ওডিআই শার্ট নং

৩২

টি২০আই অভিষেক (ক্যাপ ৪৫)

১২ জুলাই ২০১৯ ডিসেম্বর বনাম জিম্বাবুয়ে

শেষ টি২০আই

১০ ডিসেম্বর ২০২৩ বনাম জিম্বাবুয়ে

টি২০আই শার্ট নং

৩২

ঘরোয়া দলের তথ্য

বছর

দল

২০১৪-বর্তমান

নর্দার্ন নাইটস

২০১৫–২০১৭

ওয়ারউইকশায়ার

লিটনকে আউট করে সানগ্লাসের কথা মনে করিয়ে দেন অ্যাডায়ার

মার্ক রিচার্ড অ্যাডায়ার (জন্ম ২৭ মার্চ ১৯৯৬) একজন আইরিশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, বর্তমানে ঘরোয়া ক্রিকেটে নর্দান নাইটসের হয়ে খেলছেন। তিনি ওয়ারউইকশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে ইংল্যান্ডে কাউন্টি ক্রিকেট খেলেছেন। উত্তর আয়ারল্যান্ডে, তিনি সিআইওয়াইএমএস- এর হয়ে ক্লাব ক্রিকেট খেলেছেন, যদিও তিনি ২০২৪ মৌসুমে লিসবর্ন ক্রিকেট ক্লাবে খেলবেন।[] তিনি একজন ডানহাতি মিডিয়াম পেস বোলার, যিনি ডানহাতি ব্যাটও করেন। ২০১৯ সালের মে মাসে তার আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়। জানুয়ারি ২০২০ সালে, তিনি ছিলেন ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড থেকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ভূষিত হওয়া উনিশজন খেলোয়াড়দের একজন, প্রথম বছর যেখানে সমস্ত চুক্তি পূর্ণ-সময়ের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছিল।

ঘরোয়া ক্যারিয়ার

প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে অ্যাডায়ারে প্রথম উইকেট মার্কাস ট্রেসকোথিকের।[] ২৭ মে ২০১৬ তারিখে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে ২০১৬ ন্যাটওয়েস্ট টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে ওরচেস্টারশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাব[] এবং ১০ মে ২০১৭-এ ২০১৭ রয়্যাল লন্ডন ওয়ান-ডে কাপে তার লিস্ট এ অভিষেক হয়।২০২২ সালের মে মাসে, ২০২২ আন্তঃপ্রাদেশিক কাপে, অ্যাডায়ার মুনস্টার রেডসের বিপক্ষে ১০৮ রান সহ লিস্ট এ ক্রিকেটে তার প্রথম সেঞ্চুরি করেন।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

জুন ২০১৬-এ, পরের মাসে অনুষ্ঠিত আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের জন্য আয়ারল্যান্ডের একদিনের আন্তর্জাতিক (ওয়ানডে) দলে অ্যাডায়ারকে নাম দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি খেলেননি। ২০১৯ সালের মে মাসে, তাকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একমাত্র ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ডের স্কোয়াডে যোগ করা হয়। মে ২০১৯ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের হয়ে তার ওডিআই অভিষেক হয়।

জুন ২০১৯-এ, স্কটল্যান্ড এ ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে তাদের হোম সিরিজের জন্য আয়ারল্যান্ড উলভস স্কোয়াডে অ্যাডায়ারকে নাম দেওয়া হয়েছিল। একই মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের জন্য আয়ারল্যান্ডের স্কোয়াডে নাম লেখানো হয়।

জুলাই ২০১৯-এ, লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তাদের একমাত্র ম্যাচের জন্য আয়ারল্যান্ডের টেস্ট স্কোয়াডে অ্যাডায়ারকে নাম দেওয়া হয়েছিল। ১২ জুলাই ২০১৯-এ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের হয়ে তার টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক (টি-২০আই) অভিষেক হয়। ২৪ জুলাই ২০১৯ তারিখে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আয়ারল্যান্ডের হয়ে তার টেস্ট অভিষেক হয়। পরের মাসে, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড তাকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ভূষিত করে।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ২০১৯ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের টুর্নামেন্টের জন্য আয়ারল্যান্ডের স্কোয়াডে অ্যাডায়ারকে নাম দেওয়া হয়েছিল। ৮ ম্যাচে ১২টি উইকেট সহ তিনি টুর্নামেন্টে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারী ছিলেন।

১০ জুলাই ২০২০-এ, ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজের জন্য বন্ধ দরজার পিছনে প্রশিক্ষণ শুরু করার জন্য ইংল্যান্ডে ভ্রমণ করার জন্য আয়ারল্যান্ডের ২১ সদস্যের দলে অ্যাডায়ারকে নাম দেওয়া হয়েছিল। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে আয়ারল্যান্ডের স্কোয়াডে যোগ করা হয়েছিল অ্যাডায়ারকে।

ফেব্রুয়ারি ২০২১-এ, অ্যাডায়ার বাংলাদেশ সফরের জন্য আয়ারল্যান্ড উলভস স্কোয়াডে নামকরণ করা হয়েছিল। ২০২১ সালের জুলাইয়ে, তাকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডের ওডিআই স্কোয়াডে রাখা হয়েছিল। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে, অ্যাডায়ার ২০২১ আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য আয়ারল্যান্ডের অস্থায়ী দলে নামকরণ করা হয়েছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বাংলাদেশ সফরের জন্য আয়ারল্যান্ডের টেস্ট স্কোয়াডে অ্যাডায়ারকে রাখা হয়েছিল। এই সফরের জন্য তাকে টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে দলেও রাখা হয়েছিল।

৭ ডিসেম্বর ২০২৩-এ, অ্যাডায়ার আয়ারল্যান্ডের প্রথম পুরুষ ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ১০০ উইকেট লাভ করেন।

বোলিংয়ে দায়িত্বটা নিলেন দুই বছরের ছোট মার্ক অ্যাডায়ার। দুই ভাইয়ের দাপুটে পারফরম্যান্সে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছে আইরিশরা।  

আবুধাবিতে দ্বিতীয় ম্যাচে ১০ রানের জয় পেয়েছে পল স্টার্লিংয়ের দল। যার ফলে সিরিজ শেষ হলো ১-১ সমতায়।

১৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ দু ওভারে ২৩ রান প্রয়োজন ছিল প্রোটিয়াদের, হাতে ৬ উইকেট। কিন্তু ১৯তম ওভারে মার্ক অ্যাডায়ার সাজঘরে পাঠান তিন ব্যাটারকে। শেষ ওভারে গ্রাহাম হিউম তুলে নেন আরও দুই উইকেট। তাই ১০ রান দূরেই থামতে হয় দক্ষিণ আফ্রিকা।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৬ উইকেটে ১৯৫ রান করে আয়ারল্যান্ড। উদ্বোধনী জুটি থেকেই ১৩ ওভারে আসে ১৩৭ রান। স্টার্লিং ৩১ বলে ৭ চার ও ১ ছক্কায় ৫২ রান করে ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। এরপর অবশ্য গতি কমে রানের চাকার। তবে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন রস অ্যাডায়ার। ৫৮ বলে ৫ চার ও ৯ ছক্কায় ১০০ রানে আউট হন তিনি। প্রোটিয়াদের হয়ে সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন ভিয়ান মুল্ডার।

জবাব দিতে নেমে শুরুতে তাণ্ডব চালায় দক্ষিণ আফ্রিকাও। রায়ান রিকেলটনকে (৩৬) ফিরিয়ে ৫০ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন হিউম। তবে রিজা হেনড্রিকস ও ম্যাথিউ ব্রিটসকি তুলে নেন ফিফটি। দুজনেই আউট হন ৫১ রান করে। এরপর প্রোটিয়াদের কোনো ব্যাটারই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।  

আইরিশদের হয়ে মার্ক অ্যাডায়ার ৩১ রানে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন। এছাড়া হিউম ৩টি, ম্যাথিউ হামফ্রিস ও বেন হোয়াইট নেন একটি করে উইকেট। ম্যাচ ও সিরিজসেরা হন রস অ্যাডায়ার।

ঐতিহাসিক জয়ে টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি দলকে হারানো রেকর্ডটি আরও বাড়িয়ে তুলল আয়ারল্যান্ড। ৩০ দলের বিপক্ষে খেলে ২৬ দলের বিপক্ষেই জয় পেয়েছে তারা।

উইকেটকিপার ব্যাটার হিসেবে খেলায় লিটন প্রথম ইনিংসে নামেন সাত নম্বরে। নান্দনিক শটের পসরায় ৮ চারে ৪১ বলে ৪৩ করেন তিনি। পুরো ইনিংসে কালো সানগ্লাস পরে খেলতে দেখা যায় তাকে। ফিল্ডিংয়ের সময় সানগ্লাস পরা স্বাভাবিক হলেও ব্যাটিংয়ে তা দেখা যায় কম। যদিও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ভিভ রিচার্ডসকে দেখা যেত এমন রূপে। ক্যারিবিয়ান বর্তমান টেস্ট অধিনায়ক ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটও সানগ্লাস পরে ব্যাট করেন।

১১৬ ওভার কিপিং করেও শুক্রবার ১৩৮ রান তাড়ায় ওপেন করতে দেখা যায় লিটনকে। নেমেই মুখোমুখি প্রথম দুই বলে ছক্কা-চার মারেন তিনি। অ্যাডায়ারকেও কাট ও স্ট্রেট ড্রাইভে মারেন বাউন্ডারি। লিটন যেভাবে খেলছিলেন মনে হচ্ছিল তুড়ি মেরেই উড়িয়ে দিতে চান লক্ষ্য। তা অবশ্য হয়নি। অ্যাডায়ারের নির্বিষ এক শর্ট বল পুল করতে গিয়ে ব্যাটে নিতে পারেননি। বল তার হেলমেটে লেগে, হাতে লেগে নেমে এসে ভেঙে দেয় স্টাম্প।

এই আউটের পর লিটনকে হাতের ঈশারায় সানগ্লাসের কথা মনে করান অ্যাডায়ার। পরে ম্যাচ শেষে বালবার্নি জানান, প্রতিপক্ষকে খেপিয়ে দেওয়ার অংশ হিসেবে এমনটা করতে চেয়েছিলেন তারা, তবে তা ছিল স্রেফ মজা করার জন্য, 'সানগ্লাস পরে ব্যাট করছে এমন কারো বিপক্ষে আমি খেলিনি। তাকে খুব সুন্দর লাগছিল। আমি এরকম করতাম না আরকি। আমি জানি না চিকিৎসকের কোন পরামর্শ ছিল কিনা। সে প্রথম ইনিংসে খুব ভালো খেলেছি, এটা একটা মজার ব্যাপার ছিল। আমরা তার জন্য একটু অস্বস্তিকর আবহ তৈরি করতে চেয়েছি। শান্ত আমাদেরকে এরকম কিছু করার  চেষ্টা করেছে (ফিল্ডিংয়ে স্লেজিং)। প্রথম ইনিংসে সে ডাক মারার পর আমরা সেটা ফিরিয়ে দিতে চেয়েছি। আসলে জেতার জন্য আমরা ভিন্ন কিছু করতে চেয়েছি। হ্যাঁ মার্ক খুব উপভোগ করেছে।'

মুশফিকুর রহিমের ফিফটিতে ২৭.১ ওভারে আয়ারল্যান্ডের দেওয়া লক্ষ্য পেরিয়ে যায় বাংলাদেশ। বালবার্নি জানান, শুরুতে মেরে খেলে লিটনই এনে দিয়েছিলেন মোমেন্টাম, যা আর নিজেদের দিকে নিতে পারেনি তারা, 'আমরা জানতাম দ্রুত উইকেট নিতে হবে কিন্তু লিটন যেভাবে খেলেছে মোমেন্টাম ওদের দিকে নিয়ে গেছে। আমরা পরিকল্পনায় থাকলেও পরে আর হয়নি।'

sourse :banglanews24 ,banglanews24 : wikipedia..

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Angry Angry 0
Sad Sad 0
Wow Wow 0