স্কট এডওয়ার্ডস এর জীবনী | Biography of Scott Edwards
স্কট এডওয়ার্ডস এর জীবনী | Biography of Scott Edwards
|
ব্যক্তিগত তথ্য |
|
|---|---|
|
পূর্ণ নাম |
স্কট অ্যান্ড্রু এডওয়ার্ডস
|
|
জন্ম |
২৩ আগস্ট ১৯৯৬ টোঙ্গা |
|
ব্যাটিংয়ের ধরন |
ডানহাতি |
|
ভূমিকা |
উইকেট-রক্ষক |
|
আন্তর্জাতিক তথ্য |
|
|
জাতীয় দল |
|
|
ওডিআই অভিষেক (ক্যাপ ৬২) |
১ আগস্ট ২০১৮ বনাম নেপাল |
|
শেষ ওডিআই |
৩০ জুন ২০২৩ বনাম শ্রীলঙ্কা |
|
ওডিআই শার্ট নং |
৩৫ |
|
টি২০আই অভিষেক (ক্যাপ ৩৯) |
১২ জুন ২০১৮ বনাম আয়ারল্যান্ড |
|
শেষ টি২০আই |
৬ নভেম্বর ২০২২ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা |
|
টি২০আই শার্ট নং |
৩৫ |
স্কট এডওয়ার্ডস, ক্যাপ্টেন’স লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট
স্কট অ্যান্ড্রু এডওয়ার্ডস :
(জন্ম ২৩ আগস্ট ১৯৯৬) একজন অস্ট্রেলীয়-ওলন্দাজ ক্রিকেটার যিনি নেদারল্যান্ডসের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি তার প্রথম-শ্রেণী অভিষেক করেছিলেন নেদারল্যান্ডস নামিবিয়ার বিরুদ্ধে ২০১৫–১৭ আইসিসি আন্তঃমহাদেশীয় কাপ ২৯ নভেম্বর ২০১৭-এ। নেদারল্যান্ডসের হয়ে নামিবিয়ার বিপক্ষে তার লিস্ট এ অভিষেক হয়। ২০১৫–১৭ আইসিসি বিশ্ব ক্রিকেট লিগ চ্যাম্পিয়নশিপ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭-এ। পিঠের দীর্ঘমেয়াদী আঘাতের কারণে পিটার সিলার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিতে বাধ্য হওয়ার পর, ২০২২ সালের জুন মাসে এডওয়ার্ডসকে ডাচ ক্রিকেট দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে মনোনীত করা হয়। এডওয়ার্ডস হলেন নেদারল্যান্ডসের সপ্তম ওডিআই অধিনায়ক।
রম্ভিক জীবন ও পটভূমি
-
জন্ম: ২৩ আগস্ট ১৯৯৬, টোঙ্গা
-
শৈশব: অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে বেড়ে ওঠা
-
শিক্ষা: এমাউস কলেজ, মেলবোর্ন; পরে ডিকিন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্পোর্ট ম্যানেজমেন্টে ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেন
স্কট এডওয়ার্ডসের পিতামহী ছিলেন ডাচ, যার মাধ্যমে তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিকত্ব লাভ করেন এবং ডাচ জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, কিন্তু ২০১৫ সালে নেদারল্যান্ডসের শিডাম শহরের এক্সেলসিয়র '২০ ক্লাবে খেলার সময় ডাচ কোচ রায়ান ক্যাম্পবেলের নজরে আসেন। এরপর তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পদার্পণ করেন।
আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার
-
ওডিআই অভিষেক: ১ আগস্ট ২০১৮, নেপালের বিরুদ্ধে
-
টি২০আই অভিষেক: ১২ জুন ২০১৮, আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে
-
অধিনায়কত্ব: জুন ২০২২ থেকে, পিটার সিলারের অবসরের পর
স্কট এডওয়ার্ডস তার নেতৃত্বে ডাচ দলকে দুটি বিশ্বকাপে নিয়ে গেছেন এবং দলের পারফরম্যান্সে উল্লেখযোগ্য উন্নতি সাধন করেছেন। তিনি ব্যাটিং ও উইকেটকিপিংয়ে ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন।
প্রোটিয়া পেসারদের প্রতাপে ধর্মশালায় তখন রীতিমত ডাচদের ব্যাটিং দূর্গ ছত্রখান। ১৪০ রানে নেই ৭ উইকেট। বিক্রমজিৎ সিং থেকে শুরু করে বাস ডি লিড কিংবা ভ্যান বি কিক— সবাই ছিলেন আসা যাওয়ার মধ্যেই। এর মধ্যে ব্যতিক্রম ছিলেন অধিনায়ক স্কট এডওয়ার্ডস। প্রোটিয়া বোলারদের চ্যালেঞ্জ উপেক্ষা করে দলকে টেনে তুলেছেন একাই।
তাঁর ব্যাটে ভর করেই ৪৩ ওভারের ম্যাচে ১৪০ রানে ৭ উইকেট হারানো নেদারল্যান্ডস শেষ পর্যন্ত স্কোরবোর্ডে তুলেছে ২৪৫ রান। যেখানে ইনিংসের শেষ ৯ ওভারেই ডাচদের ইনিংসে যোগ হয়েছে ১০৪ রান। শুরুর ব্যাটিং ভগ্নদশায় নেদারল্যান্ডসের এমন হতশ্রী স্কোরকার্ড বদলে দেওয়ার নেপথ্যে থাকা স্কট এডওয়ার্ডস বলতে গেলে একাই লড়াই করেছেন। ৬৯ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকেছেন ৭৮ রানে।
অথচ ডাচদের গোটা ইনিংসে ৩০ রানের উপর ইনিংস খেলতে পারেন নি কেউ। বিবর্ণ ব্যাটিংয়ে ইনিংস শুরু। এরপর মিডল অর্ডার থেকে লোয়ার মিডল অর্ডার, কোনো পজিশন থেকেই ফুটে ওঠেনি ডাচদের ইনিংসে আশার আলো। তবে বিশ্ব মঞ্চে এসে ডাচদের এমন পরাভূত অবস্থা থেকে একাই টেনে তুলেছেন স্কট এডওয়ার্ডস।
তাঁকে অবশ্য সঙ্গ দিয়ে ছিলেন ভ্যান ডার মারউই। এডওয়ার্ডসের পর তাঁর ব্যাট থেকেই এসেচে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৯ রান। আর তাদের ৫৪ রানের জুটিতেই লড়াই করার মতো সংগ্রহের পথে এগিয়ে যায় ডাচরা। তবে শেষ দিকে হাতে দুই উইকেট নিয়েও দলীয় সংগ্রহকে আরো উঁচুতে নেওয়ার দিকেই চোখ ছিল এডওয়ার্ডসের। সেই ভাবনায় তিনি সফলও হয়েছেন। শেষ ৩ ওভারে ডাচদের ইনিংসে যোগ করেন ৪১ রান। আর এতেই ৪৩ ওভার শেষে ২৪৫ রানের লড়াকু পুঁজি পায় নেদারল্যান্ডস।
তবে ডাচদের ক্রিকেটে মিশে যাওয়া, ডাচ ক্রিকেট লালন করা স্কট এডওয়ার্ডস কিন্তু পুরোদস্তুর ডাচ নন। জন্মসূত্রে তিনি অস্ট্রেলিয়ান। কিন্তু ক্রিকেট এডওয়ার্ডসকে নিয়ে গিয়েছে সুদূর নেদারল্যান্ডসে। বাবা ডন, মা ক্যাথি, বড় ভাই ক্রিস, এমনকি দাদা গ্রাহাম -সবাই অস্ট্রেলিয়ান, তাঁরা অস্ট্রেলিয়াতেই থাকেন। কিন্তু এডওয়ার্ডসের দাদী ভ্যান ডার ওক আবার নেদারল্যান্ডসের। তাহলে এডওয়ার্ডসের দাদা-দাদীর এই মেলবন্ধন কিভাবে হল?
স্কট এডওয়ার্ডসের দাদা গ্রাহাম এডওয়ার্ডস তাঁর পেশাগত জীবনে ছিলেন প্রকৌশলী। একবার তাঁর কোম্পানি তাকে নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে পোস্টিং দিয়েছিল। আর সেখানেই পরিচয় হয় ভ্যান ডার ওকের সাথে। এরপর তাঁরা বিয়ে করেন এবং মেলবোর্নে এসে স্থায়ী হন। স্কট এডওয়ার্ডসের দাদা-দাদীর পরিণয়ের গল্পটা ঠিক এমন।
দাদার মতো স্কট এডওয়ার্ডসের বাবাও ছিলেন প্রকৌশলী। কাকতালীয়ভাবে, এডওয়ার্ডসের বাবাকেও দুই বছরের জন্য কর্মস্থল হিসেবে হেগ শহরে পাঠানো হয়। আর এ কারণেই নেদারল্যান্ডস ক্রিকেট নিয়ে বেশ জানাশোনা হয়ে যায় স্কট এডওয়ার্ডসের।
২০১৫ সালে স্কট এডওয়ার্ডস ক্রিকেট থেকে এক বছরের বিরতি নেন। তখন পর্যন্ত রিচমন্ডের হয়ে প্রথম গ্রেড ক্রিকেট খেলা হয়নি তাঁর। এ সময়েই নেদারল্যান্ডসের রটারডাম ক্রিকেট ক্লাবে খেলা শুরু করেন এডওয়ার্ডস। কিন্তু তেমন লাইমলাইটে আসতে পারছিলেন না। যে উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি খেলতে গিয়েছিল, তা বলতে গেলে একপ্রকার বিফলেই গিয়েছিল।
এডওয়ার্ডসের দল অজিদের ৩৯৯ রানের আগে রুখতে পারেনি। লক্ষ্য তাড়ায় চতুর্থ উইকেটের পতনের পর এডওয়ার্ডস ব্যাটিংয়ে নেমে দেখেছেন তার সতীর্থদের যাওয়া-আসার মিছিল। ২১ ওভারে অলআউট হয়ে লড়াইটাও করতে পারেনি ডাচরা। ওয়ানডেতে এত কম ওভারে আগে কখনোই তারা অলআউট হয়নি! ৯০ রানে গুটিয়ে গেলে অস্ট্রেলিয়ার ৩০৯ রানের বিশাল জয় দেখেছেন সেই ইয়াং, দেখেছেন শিষ্য এডওয়ার্ডসের হার।
কেমন অনুভূতি হলো তার? ম্যাচের পর এডওয়ার্ডস ইতিবাচকভাবে বললেন, সময় সামনে তাকানোর। তবে এর চেয়ে বড় হার তো কোনো দলকেই 'বরণ' করে নিতে হয়নি বিশ্বকাপের মঞ্চে! রানের হিসাবে ওয়ানডে ইতিহাসেই এর চেয়ে বড় হারের অভিজ্ঞতা আছে আর মাত্র একটি দলের। এডওয়ার্ডস যদি কখনো ফিরে তাকান এই ম্যাচের দিকে, দেখতে পাবেন যে, এ পর্যন্ত তার ক্রিকেটীয় জীবনের সবচেয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা অস্ট্রেলিয়া— তার নিজ দেশের বিপক্ষেই হয়েছে!
জুন ২০১৮ সালে, তাকে নেদারল্যান্ডসের টোয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিক (টি২০আই) দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ২০১৮ নেদারল্যান্ডস ত্রিদেশীয় সিরিজের জন্য। ১২ জুন ২০১৮ তারিখে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি তার টি২০আই অভিষেক করেন।
জুলাই ২০১৮ সালে, নেপালের বিপক্ষে সিরিজের জন্য তাকে নেদারল্যান্ডসের একদিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১ আগস্ট ২০১৮ তারিখে নেপালের বিপক্ষে তিনি তার ওডিআই অভিষেক করেন।
জুলাই ২০১৯-এ, ইউরোপীয় ক্রিকেট লিগ ২০১৯-এ অংশগ্রহণ করে, এডওয়ার্ডস দ্রুততম টি১০ সেঞ্চুরি এবং সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত টি১০ স্কোরের বিশ্ব রেকর্ড গড়েন—৩৯ বলে অপরাজিত ১৩৭ রান করে। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ২০১৯ আইসিসি টি২০ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের জন্য ডাচ দলের সদস্য ছিলেন। ওই টুর্নামেন্টের আগে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) তাকে ডাচ দলের একজন "দৃষ্টি কাড়া খেলোয়াড়" হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। এপ্রিল ২০২০ সালে, তাকে ১৭ জন নেদারল্যান্ডস-ভিত্তিক ক্রিকেটারের মধ্যে নির্বাচিত করা হয় যারা জাতীয় দলের সিনিয়র স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হন। পরবর্তী মাসে, আয়ারল্যান্ড উলভসের বিপক্ষে ম্যাচগুলোর জন্য এডওয়ার্ডসকে নেদারল্যান্ডস 'এ' দলের অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
সেপ্টেম্বর ২০২১-এ, এডওয়ার্ডসকে ২০২১ আইসিসি পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপের জন্য ডাচ স্কোয়াডে রাখা হয়।
জুন ২০২২-এ, তিনি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যামস্টারডামের ভিআরএ গ্রাউন্ডে টানা তিনটি ওডিআই অর্ধশতক করেন।
জুলাই ২০২২-এ, আইসিসি পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে নেদারল্যান্ডস যুক্তরাষ্ট্রকে সেমিফাইনালে পরাজিত করে। এর ফলে তারা অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত ২০২২ টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
অক্টোবর ২০২৩-এ, তিনি দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৩৮ রানে জয় এনে দেওয়া ৭৮ রানের একটি ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলেন ২০২৩ ক্রিকেট বিশ্বকাপে। এরপর বাংলাদেশের বিপক্ষে যখন তার দল চাপে ছিল, তখন তিনি ৮৯ বলে ৬৮ রানের আরেকটি ম্যাচজয়ী ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে ৮৭ রানে হারান ইডেন গার্ডেনস, কলকাতায় অনুষ্ঠিত ২০২৩ বিশ্বকাপে।
মে ২০২৪-এ, তাকে ২০২৪ আইসিসি পুরুষদের টি২০ বিশ্বকাপের জন্য নেদারল্যান্ডস দলের অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
অক্টোবর ২০২৪-এ, এডওয়ার্ডসকে আইসিসি সহযোগী সদস্যদের প্রতিনিধি হিসেবে আইসিসি পুরুষদের ক্রিকেট কমিটিতে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।
পরিসংখ্যান (মে ২০২৫ পর্যন্ত)
| ফরম্যাট | ম্যাচ | রান | গড় | সর্বোচ্চ স্কোর | ক্যাচ/স্টাম্পিং |
|---|---|---|---|---|---|
| ওডিআই | ৬৬ | ২,০০০ | ৩৮.৪৬ | ৮৬ | ৬৭/১২ |
| টি২০আই | ৭১ | ১,০২১ | ২১.৭২ | ৯৯ | ৫৭/৮ |
তিনি নেদারল্যান্ডসের ওডিআই ইতিহাসে সর্বাধিক চারের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন (১৫১টি চার) এবং স্ট্রাইক রেটের দিক থেকে দ্বিতীয় (৮৮.৪৫)।
উল্লেখযোগ্য অর্জন
-
২০২৫ নেদারল্যান্ডস ত্রিদেশীয় সিরিজ: স্কটল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিরুদ্ধে ২০৭ রান করে দলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন এবং সিরিজে নেতৃত্ব দেন।
-
২০২২ ইংল্যান্ড সফর: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচে ২১৪ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হন।
-
২০২৩ বিশ্বকাপ: তার নেতৃত্বে ডাচ দল শক্তিশালী প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং দলের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট
-
মেলবোর্ন রেনেগেডস (বিগ ব্যাশ লিগ): ২০২৩-২৪ মৌসুমে জো ক্লার্কের পরিবর্তে দলে যোগ দেন।
-
ভিক্টোরিয়া (অস্ট্রেলিয়া): ২০২৪-২৫ মৌসুমে খেলেছেন।
-
এক্সেলসিয়র '২০ (নেদারল্যান্ডস): ডাচ ক্লাব ক্রিকেটে নিয়মিত খেলেন।
ব্যক্তিগত জীবন
স্কট এডওয়ার্ডস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়, বিশেষ করে ইনস্টাগ্রামে (@scott_edwards.35) তিনি তার অনুরাগীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন।
sourse: wikipedia, khela71
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0