শাকিব খান এর জীবন কাহিনী | Biography of Megastar Sakib Khan
শাকিব খান এর জীবন কাহিনী | Biography of Megastar Sakib Khan
শাকিব খান
জন্ম: ২৮ মার্চ ১৯৭৯) হলেন একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, গায়ক, চলচ্চিত্র সংগঠক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত অনন্ত ভালবাসা (১৯৯৯) চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন তিনি গণমাধ্যমে "মেগাস্টার" "কিং খান" ও "ঢালিউড কিং" হিসাবে সম্বোধিত হন। তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পারিশ্রমিকপ্রাপ্ত অভিনেতা।
শাকিব কর্মজীবনে
একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার আটটি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার, তিনটি বাচসাস পুরস্কার ও চারটি সিজেএফবি পারফরম্যান্স পুরস্কার। তিনি ২০১০ সালের ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না ২০১২ সালের খোদার পরে মা,[১৬][১৭] ২০১৫ সালের আরো ভালোবাসবো তোমায় এবং ২০১৭ সালের সত্তা চলচ্চিত্রের জন্য চারবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।
তার অভিনীত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র হল নাট্যধর্মী সুভা (২০০৬), প্রণয়ধর্মী আমার প্রাণের স্বামী (২০০৭), প্রিয়া আমার প্রিয়া (২০০৮), ও বলবো কথা বাসর ঘরে (২০০৯), প্রণয়ধর্মী-হাস্যরসাত্মক আদরের জামাই (২০১১), মারপিট-প্রণয়ধর্মী ডন নাম্বার ওয়ান (২০১২), প্রণয়ধর্মী পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী (২০১৩), মারপিট-থ্রিলারধর্মী শিকারি (২০১৬), নবাব (২০১৭), নাট্যধর্মী রাজনীতি (২০১৭), সত্তা (২০১৭) ও প্রণয়ধর্মী-হাস্যরসাত্মক চালবাজ (২০১৮), ভাইজান এলো রে(২০১৮), নাকাব(২০১৮)। ২০১১ সালে মনের জ্বালা চলচ্চিত্রে তিনি প্রথমবারে মতো তিনি নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী হিসাবে গানে কন্ঠ দেন। ২০১৪ সালে তিনি হিরো: দ্যা সুপার স্টার চলচ্চিত্র দিয়ে প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং পরবর্তীকালে পাসওয়ার্ড
শাকিব খান ১৯৯৯ সালে প্রথম চুক্তিবদ্ধ হন সবাইতো সুখী হতে চায় চলচ্চিত্রে, আফতাব খান টুলু পরিচালিত এ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এতে তার বিপরীতে ছিল আরেক নবাগতা কারিশমা শেখ। শাকিব খান অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম চলচ্চিত্র সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত অনন্ত ভালবাসা, যা ১৯৯৯ সালের ২৮ মে মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন আরেক অভিনয়শিল্পী মৌসুমীর ছোটবোন ইরিন জামান, এবং এটি দু'জনেরই অভিষেক চলচ্চিত্র হিসাবে স্মরণীয় হয়ে আছে। অনন্ত ভালোবাসা খুব একটা সফল না হলেও নায়ক হিসেবে শাকিব খান সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। অভিনয় জীবনের দ্বিতীয় বছরেই তিনি সে সময়ের শীর্ষ অভিনেত্রী শাবনূরের বিপরীতে ইস্পাহানী-আরিফ জাহান পরিচালিত গোলাম (২০০০) চলচ্চিত্রে অভিনয় করে আলোচিত হন। এই বছর তিনি এজে রানা পরিচালিত আজকের দাপট চলচ্চিত্রে পূর্ণিমার বিপরীতে, আবু সাঈদ খান পরিচালিত দুজন দুজনার চলচ্চিত্রে পপির বিপরীতে, এবং দেলোয়ার জাহান ঝন্টু পরিচালিত বিষে ভরা নাগিন চলচ্চিত্রে মুনমুনের বিপরীতে প্রথম অভিনয় করেন।
২০০১ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত শিকারী, স্বপ্নের বাসর, মায়ের জেহাদ, রাঙ্গা মাস্তান, হিংসার পতন, বন্ধু যখন শত্রু চলচ্চিত্রগুলো। এফ আই মানিক পরিচালিত স্বপ্নের বাসর চলচ্চিত্রে রিয়াজ ও শাবনূরের পাশাপাশি তার অভিনয়ও প্রশংসিত হয়। ২০০২ সালে মুক্তি পায় এফ আই মানিক পরিচালিত ফুল নেব না অশ্রু নেব ও স্ত্রীর মর্যাদা, শাহাদাত হোসেন লিটন পরিচালিত ও প্রিয়া তুমি কোথায়, জিল্লুর রহমানের নাচনেওয়ালী এবং বাদল খন্দকারের বিশ্ব বাটপার। স্ত্রীর মর্যাদা চলচ্চিত্রটিতে তিনি প্রথম মৌসুমীর বিপরীতে অভিনয় করেন।
২০০৩ সালে অভিনয় করেন সাহসী মানুষ চাই, প্রাণের মানুষ, ক্ষমতার দাপট, ও সবার উপরে প্রেম চলচ্চিত্রে। এ বছর তার অভিনীত মহম্মদ হান্নান পরিচালিত সাহসী মানুষ চাই চলচ্চিত্রটি বেশ প্রশংসিত হয় এবং দুটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।২০০৪ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে নয়ন ভরা জল, আজকের সমাজ, বস্তির রানী সুরিয়া, রুখে দাড়াও উল্লেখযোগ্য। ২০০৫ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত এমএ রহিম পরিচালিত সিটি টেরর। এ চলচ্চিত্রে তিনি অভিনেতা মান্নার সঙ্গে অভিনয় করেন। এছাড়া শাহীন-সুমন পরিচালিত বাধা চলচ্চিত্রে রিয়াজ ও পূর্ণিমার সাথে অভিনয় করেন।
২০০৬ - ২০১০
২০০৬ সালে তার অভিনীত ১৩টি চলচ্চিত্র মুক্তি পায় এবং সেগুলো এই বছরের সেরা ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র ছিল। এই সাফল্যের ফলে তার পারিশ্রমিক তিন লাখ থেকে ছয়-সাত লাখে উত্তীর্ণ হয়।[৩০] তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প সুভা অবলম্বনে নির্মিত চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত সুভা চলচ্চিত্রে পূর্ণিমার বিপরীতে অভিনয় করেন। এ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি ২০০৭ সালে প্রদত্ত লাক্স-চ্যানেল আই পারফরম্যান্স পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে দর্শক জরিপ ও সমালোচক উভয় শাখায় মনোনীত হন। একই বছর মুক্তি পায় এফ আই মানিক পরিচালিত কোটি টাকার কাবিন, পিতার আসন, দাদীমা ও চাচ্চু, ঢাকার পোলা বরিশাইল্যা মাইয়া এবং দিলীপ বিশ্বাস পরিচালিত মায়ের মর্যাদা। কোটি টাকার কাবিন চলচ্চিত্রটিতে তিনি প্রথম অপু বিশ্বাসের বিপরীতে অভিনয় করেন। চাচ্চু চলচ্চিত্র দিয়ে শাকিব খান প্রথম জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।[২৫]
২০০৭ সালে শাকিব অভিনীত ১২টি চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। পূর্ববর্তী বছরের মত এই বছরও তার চলচ্চিত্রগুলো ব্যবসাসফল হয়। তার অভিনীত পিএ কাজলের আমার প্রাণের স্বামী চলচ্চিত্রটি সুপারহিট হয় এবং তিনি এতে অভিনয় করে তিনি সমালোচক শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে প্রথম মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অর্জন করেন। এই চলচ্চিত্রের সফলতার পর তার পারিশ্রমিক বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ১২ লাখে। এছাড়া এই বছর তিনি কাবিননামা, যমজ, স্বামীর সংসার, ডাক্তার বাড়ি, তুই যদি আমার হইতি রে, কথা দাও সাথী হবে, দানব সন্তান, কপাল, মা আমার স্বর্গ, কঠিন প্রেম ও এক বুক জ্বালা চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।
২০০৮ সালে তার অভিনীত চলচ্চিত্রগুলো হল তোমাকে বউ বানাবো, আমার জান আমার প্রাণ, সমাধি, ১ টাকার বউ, ভালোবাসার দুশমন, প্রিয়া আমার প্রিয়া, টিপ টিপ বৃষ্টি, তুমি স্বপ্ন তুমি সাধনা, আমাদের ছোট সাহেব, সন্তান আমার অহংকার, যদি বউ সাজো গো, মনে প্রাণে আছো তুমি। এ বছর বদিউল আলম খোকন পরিচালিত প্রিয়া আমার প্রিয়া চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি দর্শক জরিপ শাখায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র অভিনেতা বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার এবং লাক্স-চ্যানেল আই পারফরম্যান্স পুরস্কার অর্জন করেন এবং এটি বক্স অফিসেও সফলতা অর্জন করে। পিএ কাজল পরিচালিত ১ টাকার বউ চলচ্চিত্রে তার বিপরীতে অভিনয় করেন শাবনূর ও রুমানা খান। চলচ্চিত্রটি একটি বিভাগে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ও একটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে, এবং এফ আই মানিক পরিচালিত যদি বউ সাজো গো চলচ্চিত্রে বাচসাস পুরস্কার অর্জন করেন।
সংবাদচর্চা রিপোর্ট:
কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের গল্পে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করবেন শাকিব খান। সেই গল্পে শাকিব খানের ব্যক্তিজীবনেরও কিছু অংশ থাকবে। এটি শাকিব খানের নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসকে ফিল্মস থেকে তৈরি হবে। গত সোমবার রাতে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে আনিসুল হকের সঙ্গে এসকে ফিল্মসের চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
সিনেমার গল্পের বিষয়ে কিছু না বললেও চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চলচ্চিত্রটির প্রযোজক ও নায়ক শাকিব খান। তিনি বলেন, ‘ছবির নাম ও গল্প এখনই বলতে চাইছি না। তবে কাজটি করছি। আনিসুল হকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
আনিসুল হকের কাছ থেকে গল্প ও চিত্রনাট্য নেওয়া প্রসঙ্গে নায়ক শাকিব খান বলেন, ‘এক সময় সৈয়দ শামসুল হক, মমতাজউদদীন আহমদ, আমজাদ হোসেন, মনিরুজ্জামান, জহির রায়হানের মতো গুণীজনেরা আমাদের সিনেমায় মৌলিক গল্প ও চিত্রনাট্য লিখতেন। বড় বড় সাহিত্যিক, ঔপন্যাসিক, কবিদের সিনেমায় আনাগোনা ছিল। দেশীয় সিনেমাকে আগের জায়গায় ফিরিয়ে নিতে তাঁদের মতো দেশবরেণ্যদের বর্তমানে সিনেমায় আসা দরকার।’
আনিসুল হকের গল্পে দারুণ কিছু হবে বলে আশা করছেন শাকিব খান। তিনি বলেন, ‘মৌলিক গল্পের সিনেমা হবে এটি। বাজেটে কোনো আপস করব না। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে। প্রযোজনা–পরবর্তী কাজ দেশের বাইরে করব। এটি আমার স্বপ্নের প্রকল্প।’
সিনেমাটি পরিচালনা করবেন শামীম আহমেদ। তিনি বলেন, ‘এখন চিত্রনাট্যের কাজ চলছে। তাড়াহুড়ো করে কাজটি করতে চাইছি না। প্রযোজনা–পূর্বের কাজ পুরোপুরি শেষ করেই শুটিংয়ের দিন ঠিক করতে চাই।’
বরবাদ
ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান ও কলকাতার ইধিকা পল জুটির এই দ্বিতীয় কাজটি নিয়ে ইতোমধ্যে চলচ্চিত্র পাড়ায় বেশ হৈচৈ চলছে। এর আগে প্রিয়তমা (২০২৩)-তে বেশ সাড়া ফেলেছিলো এই জুটি। একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ভারতের যীশু সেনগুপ্তের যুক্ত হওয়া ছবিটির প্রতি আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। একটি আইটেম গানে ক্যামিও চরিত্রে থাকবেন কলকাতার আরেক তারকা নুসরাত জাহান-কে।
রোমান্টিক অ্যাকশন থ্রিলারটি পরিচালনার মধ্য সিনেমা নির্মাণে পদার্পণ করেন মেহেদী হাসান হৃদয়। প্রযোজনায় রয়েছেন শাহরিন আক্তার সুমি (রিয়েল এনার্জি প্রোডাকশন) এবং আজিম হারুন (রিধি সিধি এন্টারটেইনমেন্ট)।
অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মিশা সওদাগর, ফজলুর রহমান বাবু, শহীদুজ্জামান সেলিম, মামুনুর রশীদ, এবং ইন্তেখাব দিনার।
সংগীত আয়োজনে আছেন প্রীতম হাসান। ২০২৪ সালের তুফান চলচ্চিত্রে তার ‘লাগে উড়া ধুরা’ গানটি বিভিন্ন মহলে বেশ সমাদৃত হয়। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এ নিয়ে তিনি দ্বিতীয়বার কাজ করছেন শাকিব খানের সঙ্গে। প্রীতমসহ ছবির বিভিন্ন গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বলিউডের কয়েকজন গায়ক।
অ্যাকশন দৃশ্য পরিচালনা করেছেন বলিউড ও তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির অ্যাকশন ডিরেক্টর রবি বর্মা। নাচের কোরিওগ্রাফি করেছেন বলিউডের আদিল শেখ।
শাকিব খানের শিক্ষাজীবন,
বাবার সরকারি কাজের প্রয়োজনে শাকিব খানের পরিবারকে প্রায়শই এক শহর থেকে অন্য শহর এ যেতে হতো। মেধাবী শাকিব ছোটো বেলা থেকেই পড়াশোনা তে খুব ই ভালো ছিল । প্রত্যেকটি পরীক্ষার ফলাফল খুবই ভালো করতেন তিনি । শাকিব খান এর মাধ্যমিক (SSC) এবং HSC রেজাল্ট তার মেধার ই সাক্ষ্য গ্রহণ বহন করে। আব্রাহাম খান জয় কলেজের ছাত্র ছিলেন অভিনেতা। তিনি পড়াশোনা তে উজ্জ্বল এই বাংলাদেশি তারকা, অধ্যয়নের পাশাপাশি নাচ এর প্রতি তীব্র আকর্ষণ বোধ করতেন। তিনি তৎকালীন একজন চলচ্চিত্র কোরিওগ্রাফার আজিজ রেজার এর থেকে নাচ এর তালিম নেন। শাকিব খান তার ইচ্ছে প্রসঙ্গে বলেন,
শাকিব খানের পুরস্কার/সম্মান,
শাকিব খান নিজের কর্মজীবনে একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে চারটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, আটটি মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার,তিনটি বাচসাস পুরস্কার ও চারটি সিজেএফবি পারফরম্যান্স পুরস্কার। তিনি ২০১০ সালের ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না, ২০১২ সালের খোদার পরে মা, ২০১৫ সালের আরো ভালোবাসবো তোমায় এবং ২০১৭ সালের সত্তা চলচ্চিত্রের জন্য চারবার শ্রেষ্ঠ অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে থাকেন।
শাকিবের জীবনের কিছু অজানা তথ্য, Unknown facts about Shakib Khan
• শাকিব খান তার প্রথম বিবাহের কথা সাত বছরের বেশি সময় ধরে লুকিয়ে রেখেছিলেন।
• শাকিব খান হলেন একজন মুসলিম অভিনেতা।
• শাকিব খান কখনোই তার মোবাইল নম্বর প্রকাশ্যে শেয়ার করেননি।
• অভিনয় এর পাশাপাশি তিনি একজন সফল বিজনেসম্যান।
• শাকিব খানের জুতোর সাইজ 9 (US)
উপসংহার, Conclusion
বাংলাদেশ চলচিত্রে এখন নতুন নতুন গল্প দিয়ে উন্নতমানের ছবি তৈরি হচ্ছে যার মধ্যে সাকিব খানের ছবি অন্যতম। শাকিব খানের অভিনয়, কথাবার্তা মানুষের মন কেড়ে নিতে সক্ষম হয়েছে। শাকিব খান তার নিজের অভিনয় দক্ষতা ও কর্মকৌশলের দ্বারা সকল মানুষের ও নেটিজেনদের অন্তরে বহুদিন বিরাজ করবেন।
Frequently asked questions
শাকিব খান হলেন বাংলাদেশ এর ঢালিউড এর বিখ্যাত এবং সবচেয়ে বেশী পারিশ্রমিক পাওয়া একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা।
শাকিব খানের বাবা আব্দুর রব একজন সরকারি কর্মচারী এবং মা নূরজাহান একজন গৃহিণী ছিলেন।
শাকিব খানের জীবনের প্রথম সিনেমা ছিল অনন্ত ভালোবাসা(1999)।
এশিয়ান ডুপ্লেক্স সিটি নামের একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে শাকিব খান প্রথম বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেন।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0