তাকেফুসা কুবো এর জীবনী | Biography of Takefusa Kubo
তাকেফুসা কুবো এর জীবনী | Biography of Takefusa Kubo
|
ব্যক্তিগত তথ্য |
|||
|---|---|---|---|
|
পূর্ণ নাম |
টাকেফুসা কুবো ইয়েই | ||
|
জন্ম |
৪ জুন ২০০১ | ||
|
জন্ম স্থান |
আসাও কু, কাওয়াসাকি, জাপান | ||
|
মৃত্যুর স্থান |
‹› | ||
|
উচ্চতা |
১.৭৩ মিটার (৫ ফুট ৮ ইঞ্চি) | ||
|
মাঠে অবস্থান |
অ্যাটাকিং মধ্যমাঠের খেলোয়াড় / ফরওয়ার্ড | ||
|
ক্লাবের তথ্য |
|||
|
বর্তমান দল
|
এফসি টোকিও |
||
|
জার্সি নম্বর |
১৫ | ||
|
যুব পর্যায় |
|||
|
২০০৮–২০০৯ |
এফসি পারসিমন | ||
|
২০১০–২০১১ |
কাওয়াসাকি ফ্রোন্টেল | ||
|
২০১১–২০১৫ |
এফসি বার্সেলোনা | ||
|
২০১৫–২০১৭ |
এফসি টোকিও | ||
|
জ্যেষ্ঠ পর্যায়* |
|||
|
বছর |
দল | ম্যাচ | (গোল) |
|
২০১৬–২০১৮ |
এফসি টোকিও অনূর্ধ্ব-২৩ | ৩৪ | (৫) |
|
২০১৬– |
এফসি টোকিও | ৬ | (০) |
|
২০১৮ |
→ ইউকোহামা এফ.ম্যারিনোস (ধারে) | ৫ | (১) |
|
জাতীয় দল‡ |
|||
|
২০১৫ |
জাপান অনূর্ধ্ব-১৫ | ৫ | (৭) |
|
২০১৫–২০১৬ |
জাপান অনূর্ধ্ব-১৬ | ১২ | (৪) |
|
২০১৬–২০১৭ |
জাপান অনূর্ধ্ব-১৭ | ৭ | (৩) |
|
২০১৬ |
জাপান অনূর্ধ্ব-১৯ | ২ | (০) |
|
২০১৭– |
জাপান অনূর্ধ্ব-২০ | ৫ | (০) |
জাপানি মেসি মন জিতেছে গুয়াহাটির
টাকেফুসা কুবো (久保 建英 কুবো টাকেফুসা, ৪ জুন ২০০১) হলেন একজন জাপানি ফুটবলার যিনি একজন অ্যাটাকিং মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে জাপানি ক্লাব এফসি টোকিও-এর হয়ে খেলে থাকেন। তার খেলোয়াড়ী কৌশলের উপর ভিত্তি করে, তাকে 'জাপাননিজ মেসি' ডাকনামে ডাকা হয়ে থাকে।
ক্লাব খেলোয়াড়ী জীবন
মাত্র সাত বছর থাকাকালীন সময়ে, টাকাফুসা কুবো তার জন্মস্থান শহর কাওয়াসাকি ভিত্তিক একটি স্থানীয় ফুটবল ক্লাব "এফসি পারসিমন"-এর হয়ে খেলা শুরু করেন। ২০০৯ সালের আগস্ট মাসে, জনপ্রিয় স্পেনীয় ফুটবল ক্লাব এফসি বার্সেলোনা-এর হওয়া সকার ক্যাম্পে তিনি "সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়" পুরস্কার যেটিতে তিনি মাত্র আট বছর বয়সে অংশ নিয়েছিলেন। ২০১০ সালের এপ্রিল মাসে, তিনি এফসি বার্সেলোনা স্কুল দলের একজন সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন এবং বেলজিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়া "সোডেক্সো ইউরোপিয়ান রুকাস কাপ"-এ অংশ নেন। যদিও তার দল আসরটিতে তৃতীয় অবস্থানে থেকে শেষ করেছিলো, তবুও তিনি "সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়" পুরস্কারটি পান। বাড়ি ফেরার পর, তিনি তার স্থানীয় কাউয়াসাকি ফ্রনটেল-এর কিশোর দলের হয়ে খেলা শুরু করেন।
এফসি বার্সেলোনা
২০১১ সালের আগস্ট মাসে, টাকাফুসা কুবো কাতালোনিয়া-এর রাজধানী বার্সেলোনা-এ অবস্থিত বিশ্ববিখ্যাত কিশোর ফুটবল একাডেমী লা মাসিয়া, (যেটি সাধারনত এফসি বার্সেলোনা-এর কিশোর ফুটবল একাডেমী)-এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হবার পর সেখানে যোগদান করার জন্য আমন্ত্রণ পান। তিনি বার্সা আলেভিন সি (অনূর্ধ্ব-১১)-এর হয়ে খেলা শুরু করেন। (২০১২-১৩)-এ তার প্রথম পুরোদমে মৌসুমে তিনি ছিলেন ক্লাবটির হয়ে সর্বোচ্চ গোলকরা খেলোয়াড়, যেখানে তিনি মাত্র ৩০ টা ম্যাচ খেলে ৭৪টি গোল করেন। (২০১৩-১৪) মৌসুমে অর্থাৎ পরবর্তী মৌসুমে, তিনি "মেডিটেরানিয়ান কাপ অনূর্ধ্ব-১২" নামক টুর্নামেন্টে "মোস্ট ভেলুয়েবল প্লেয়ার" পুরস্কার বা "সবচেয়ে মূল্যবান খেলোয়াড়" পুরস্কারটি পান।
তিনি তার দলকে লিগে শাসন করতে এছাড়াও কাতালুনিয়া কাপ জয় করতেও সাহায্য করেন। ক্লাবটির হয়ে খেলা তার তৃতীয় মৌসুমে (২০১৪-১৫), তিনি বার্সা ইনফেন্টিল এ বা (অনূর্ধ্ব-১৪) দলে উন্নিত হন। কিন্তু পরবর্তীতে, কাতালান ক্লাবটি অনূর্ধ্ব-১৮ বছরের কিশোরদের জন্য করা ফিফা আন্তর্জাতিক স্থানান্তর নীতি লঙ্ঘন করেছে বলে পাওয়া যায়, যেটি ক্লাবটির হয়ে খেলা কুবোবে অযোগ্য করে তুলে। ২০১৫ সালের মার্চ মাসে, খেলা চালিয়ে যাবার খোজে তিনি জাপানে ফিরে আসেন এবং, এফসি টোকিও-এর সাথে তাদের কনিষ্ঠ কিশোর দলে খেলার জন্য একটি চুক্তিতে আবদ্ধ হন।
ইউকোহামা এফ.মারিনোস
২০১৮ সালের ১৬ই আগস্ট, তিনি আরেক জাপানি ফুটবল ক্লাব ইউকোহামা এফ.মারিনোস-এ অর্ধ-বছরের জন্য ধারে যোগ দেন।[৪] তিনি অচিরেই তার ক্লাবটির হয়ে অভিষেক হওয়া ম্যাচের অর্ধেক সময়ে আরেক জাপানি ক্লাব ভিসেল কোবে-এর বিরুদ্ধে হওয়া ম্যাচে তার অভিষেক গোলটি করেন।
আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ী জীবন
টাকেসুফা কুবো, জাপান অনূর্ধ্ব-১৫ থেকে অনূর্ধ্ব-২০ পযন্ত জাপান জাতীয় ফুটবল দল-এর সাথে যুক্ত রয়েছেন।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে, ২০১৭ সালে আয়োজিত ২০১৭ ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ-এ খেলার জন্য গঠিত জাপান অনূর্ধ্ব-২০ দল-এ ডাক পান।
গুয়াহাটির গরমে য়খন কাবু গ্রুপের বাকি তিন দল ফ্রান্স, নিউ ক্যালিডোনিয়া এবং হন্ডুরাস। তখন মুখ আলো করে হাসছেন জাপানের ‘মেসি’ তাকেফুসা কুবো। প্রস্তুতি নেওয়ার ফাঁকে নিজের দেশের সাংবাদিকদের কাছে তাঁর স্বস্তির প্রতিক্রিয়া, ‘‘ভারতের গরমে আগে খেলেছি। প্রস্তুতির জন্য আমরা গোয়াতে ছিলাম এর আগে। তা ছাড়া এই আবহাওয়ার সঙ্গে আমরা অভ্যস্ত। আর জাপানে তো সদ্য গরম কাল কাটিয়ে এসেছি আমরা। কাজেই কোনও সমস্যা নেই আমাদের। এ বার ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে হবে আমাদের।’
এগারো বছর বয়স থেকেই জাপানি ফুটবলের বিষ্ময় বালক এই কুবো। লিওনেল মেসির বেড়ে ওঠার আঁতুরঘর বার্সেলোনার ফুটবল স্কুল ‘লা মাসিয়া’ থেকে উত্থান কুবোর। ২০১১ সালে মাত্র এগারো বছর বয়সে বার্সেলোনায় গিয়েছিলেন ইউসা কাতসুমির দেশের এই প্রতিভা যেখানে প্রথম মরসুমেই ৩০ ম্যাচে ৭৪ গোল করে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন তিনি।
রবিবার রাতে অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে নিজেদের অভিযান শুরু করতে চলেছে জাপান। প্রতিপক্ষ হন্ডুরাস। আর সেই ম্যাচের আগে সূর্যোদয়ের দেশের অধিনায়ক শিমপেই ফুকোকার হুঙ্কার, ‘‘চ্যাম্পিয়ন হতেই ভারতে এসেছি আমরা। আর তার জন্য সোজা হিসেব—সাতটি ম্যাচ খেলতে হবে। আর সব কটায় জিততে হবে আমাদের। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছি আমরা। আর কুবো যদি নিজের ছন্দে খেলতে পারে, তা হলে আমাদের রোখা মুশকিল।’’
অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ কভার করতে জাপান থেকে গুয়াহাটিতে এসেছেন প্রায় জনা পনেরো সাংবাদিক। এদের সকলেই বলছেন, এ বারের বিশ্বকাপে ম্যাজিক দেখাবেন তাঁদের ‘মেসি’ তাকেফুসা কুবো।
জাপানি এই ফুটবল প্রতিভা আঠারোয় পা দেওয়ার আগেই খেলতে চলেছে দু’টি অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপ। এর মধ্যে একটি আবার পনেরো বছর বয়সেই। জাপানি সাংবাদিকদের কাছ থেকে জানা গেল এফসি টোকিও-য় খেলা এই স্ট্রাইকারের এই প্রতিভা এতটাই ঝলমলে যে চলতি বছরেই তাঁকে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে জাপান দলে নেওয়া হয়েছিল। যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তাঁর গোল করানো নিয়ে হাজারো আলোচনা জাপানি সাংবাদিকদের মধ্যে।
শনিবার বিকেলে জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে অনুশীলনে নামার আগে প্রথামাফিক সাংবাদিক সম্মেলন করলেন জাপান কোচ ইয়োশিরো মোরিয়ামা। একপ্রকার হুমকির মতো করেই তিনি বলছিলেন, বলছিলেন, ‘‘গত বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি বলে খুব মুষড়ে পড়়েছিল। এ সেই খেদ মেটানোর সুযোগ পাচ্ছে কুবো। ফাঁকা জায়গায় বল পেলে ও কতটা বিপজ্জনক হতে পারে তা জানি আমরা। সঙ্গে এটাও জানি যে বিপক্ষ ওকে কড়া নজরে রাখবে। কিন্তু তাতেও আমাদের রাতের ঘুম যাচ্ছে না। কারণ ওকে বিপক্ষ নজরে রাখলে আমাদের অন্য ফরোয়ার্ডরা ফাঁকা হয়ে যাবে। এ বার কুবোকে নিয়ে মাথা ঘামাক বিপক্ষ। আমাদের সম্পদ আমাদের ফুটবলারদের অভিজ্ঞতা।’’
তবে এরই মাঝে হন্ডুরাসকে নিয়ে চিহ্নিত জাপান অধিনায়ক শিমপেই। তিনি বলছেন, ‘‘মাঝমাঠে হন্ডুরাস বেশ শক্তিশালী। সেই জায়গায় আঘাত করতে হবে আমাদের। তা ছাড়া ইতিহাস বলছে জাপান সব সময়েই ঝটিকা আক্রমণে বিশ্বাস করে। সেই আক্রমণই হন্ডুরাসের বিরুদ্ধে গড়ে তুলবো আমরা।’’ যা শুনে হন্ডুরাস অধিনায়ক এমিলিও ক্যাম্পোস বলছেন, ‘‘জানি জাপানের বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ফুটবলার রয়েছে। তবে আমরাও কিন্তু খরগোশের মতো দৌড়ে ফুটবলটা খেলে থাকি। দেখি মাঠে নেমে কী হয়।’’
গুয়াহাটি অবশ্য সপ্তাহান্তের রাতে খরগোশের দৌড় দেখার বদলে জাপানি মেসিকে দেখতেই মুখিয়ে। অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ্বকাপে আসল মেসি না থাকায় জাপানি মেসি দেখেই ফুটবল-উৎসব যাপন করতে চান তাঁরা।
sourse: wikipedia // anandabazar
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0