জন ফোর্বস ন্যাশ জুনিয়র এর জীবনী | Biography of John Forbes Nash Jr.
জন ফোর্বস ন্যাশ জুনিয়র। এর জীবনী | Biography of John Forbes Nash Jr.
জন ন্যাশের সংক্ষিপ্ত জীবনী
|
জন্ম |
জুন ১৩, ১৯২৮ ব্লুফিল্ড, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, U.S. |
|---|---|
|
মৃত্যু |
২৩ মে ২০১৫ (বয়স ৮৬) Monroe Township Newjersy, U.S. |
|
বাসস্থান |
United States |
|
জাতীয়তা |
মার্কিন |
|
কর্মক্ষেত্র |
গণিত, অর্থনীতি |
|
প্রতিষ্ঠান |
ম্যাসাচুসেট্স ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় |
|
প্রাক্তন ছাত্র |
প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়, Carnegie Institute of Technology (বর্তমানে কার্নেগী মেলন বিশ্ববিদ্যালয় এর অংশ) |
|
পিএইচডি উপদেষ্টা |
Albert W. Tucker |
|
পরিচিতির কারণ |
Nash equilibrium Nash embedding theorem |
|
উল্লেখযোগ্য |
John von Neumann Theory Prize (1978), Nobel Memorial Prize in Economic Sciences (1994) |
|
স্ত্রী/স্বামী |
Alicia Lopez-Harrison de Lardé (m. 1957–1963; 2001–2015)(Till death) |
জন ন্যাশ
একজন মার্কিন গণিতবিদ। তিনি ১৯৯৪ সালে গেম থিওরির উপর অর্থনীতিতে জন হার্সান্ইয়ি এবং রাইনহার্ড সেল্টেনের সাথে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ২০০১ সালে হলিউডের মুভি এ বিউটিফুল মাইন্ড (A Beautiful Mind) তার জীবনকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হয়।
ন্যাশ 19২8 সালের 13 জুন ব্লুফিল্ড, পশ্চিম ভার্জিনিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জন ফোর্বস ন্যাশ, অ্যাপল্যাচিয়ান ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী ছিলেন। তার মা, মার্গারেট ভার্জিনিয়া (মা মার্টিন) ন্যাশ, তিনি বিয়ে করার আগে স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। তিনি এপিসোস্কোপ চার্চে বাপ্তিস্ম নিয়েছিলেন। তার ছোট বোন মার্থা (জন্ম 16 নভেম্বর, 1930)। ন্যাশ কিন্ডারগার্টেন ও পাবলিক স্কুলে উপস্থিত ছিলেন, এবং তিনি তার বাবা-মা এবং দাদা-পিতামাতার দ্বারা প্রদত্ত বই থেকে শিখেছিলেন। ন্যাশের বাবা-মা তাদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার সম্পূরক করার সুযোগ করে দিয়েছিল এবং হাই স্কুলের শেষ বছরে স্থানীয় কমিউনিটি কলেজে উন্নত গণিত কোর্স নিতে তাদের ব্যবস্থা করেছিল। তিনি জর্জি ওয়েস্টিংহাউস স্কলারশিপের সম্পূর্ণ সুবিধার মাধ্যমে কার্নেগী ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (যা পরবর্তীকালে কার্নেগী মেলন ইউনিভার্সিটি) হয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে রাসায়নিক প্রকৌশলে বড় হয়েছিলেন। তিনি তার শিক্ষক জন লাইটন সিঞ্জের পরামর্শে গণিতের ক্ষেত্রে রসায়ন প্রধানের কাছে চলে যান এবং অবশেষে সুইচ করেন।
শিক্ষা
1948 সালে স্নাতক (19 বছর বয়সে) বি.এস. এবং এমএস গণিতশাস্ত্রে, ন্যাশ প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি গ্রহণ করেন, যেখানে তিনি গণিতের আরও স্নাতক গবেষণায় অংশ নেন। ন্যাশের উপদেষ্টা এবং সাবেক কার্নেগী প্রফেসর রিচার্ড ডাফিন প্রিন্সটনকে ন্যাশের প্রবেশের জন্য সুপারিশের একটি চিঠি লিখেছিলেন, "তিনি একটি গাণিতিক প্রতিভা।" ন্যাশ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়েও গ্রহণযোগ্য ছিলেন। যাইহোক, প্রিন্সটন-এর গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান সলোমন লেফেস্চেজ তাকে জন এস কেনেডি ফেলোশিপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, ন্যাশকে প্রমাণ করেছিলেন যে প্রিন্সটন তাকে আরো মূল্যবান বলে মনে করছেন।ব্লুফিল্ডে তার পরিবারের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে তিনি প্রিন্সটনকে আরও সদয়ভাবে বিবেচনা করেছিলেন। প্রিন্সটন-এ, তিনি তার ভারসাম্য তত্ত্বের উপর কাজ শুরু করেন, পরে তাকে ন্যাশ সমার্থক বলে পরিচিত করেন। আধুনিক গণিতে তার অবদান অতুলনীয়।
অস্কার পাওয়া মুভি A Beautiful Mind এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এই গণিতবিদ এবং অর্থনীতিবিদের কথা জেনেছে। আর বিজ্ঞানে আগ্রহী মহলে ওনাকে সবাই চেনে ১৯৯৪ সাল থেকেই, যখন উনি অর্থনীতিতে নোবেল পুরষ্কার পেলেন। আর এ বছরেই তিনি Abel Prize পেলেন আরেকটি অসাধারণ আবিষ্কারের কারণ – বক্ররেখার আংশিক ব্যবকলন সমীকরণ (nonlinear partial differential equation) এর জন্য। তার দেয়া থিওরিগুলো শুধু গণিতে আর অর্থনীতিতে নয়, বিবর্তনবাদ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, একাউন্টিং, রাজনীতিসহ আরো অনেক ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়।
কার্নেগী মেলন ইউনিভার্সিটি থেকে প্রথমে কেমিক্যাল ইনজিনিয়ারিং, পরে পাল্টে কেমিস্ট্রি, এবং শেষ পর্যন্ত গণিতে এসে তরী ভিড়িয়েছিলেন এই ভদ্রলোক। অবশেষে অনার্স-মাস্টার্স করার পর গেলেন প্রিন্সটন ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করতে। তার পিএইচডি থিসিস ছিলো মাত্র ২৮ পৃষ্ঠার। জীবনের শেষ দিকে এখানেই শিক্ষকতা করতেন তিনি।
১৯৫৯ এর দিকে তার স্কিজোফ্রেনিয়া ধরা পড়ে। তখন অনেকগুলো বছর তাকে মানসিক হাসপাতালে থাকতে হয়। ১৯৭০ এর পর তার অবস্থা আস্তে আস্তে উন্নত হতে থাকে। ১৯৭৫ এর দিকে তিনি আবার একাডেমিক কাজকর্মে ফিরে আসেন। ১৯৭৮ সালেই পেয়ে যান জন ভন নিউম্যান থিওরি পুরষ্কার। আর ১৯৯৪ সালে নোবেল প্রাইজ। অসুস্থতার সাথে তার কষ্টকর যুদ্ধ এবং সেরে ওঠা নিয়ে লেখিকা সিলভিয়া নাসার একটা বই লিখেছিলেন, A Beautiful Mind. সেখান থেকেই মুভির চিত্রনাট্য রচনা করা হয়।
ন্যাশ 19২8 সালের 13 জুন ব্লুফিল্ড, পশ্চিম ভার্জিনিয়াতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জন ফোর্বস ন্যাশ, অ্যাপল্যাচিয়ান ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানির বৈদ্যুতিক প্রকৌশলী ছিলেন। তার মা, মার্গারেট ভার্জিনিয়া (মা মার্টিন) ন্যাশ, তিনি বিয়ে করার আগে স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। তিনি এপিসোস্কোপ চার্চে বাপ্তিস্ম নিয়েছিলেন। [8] তার ছোট বোন মার্থা (জন্ম 16 নভেম্বর, 1930)। [9] ন্যাশ কিন্ডারগার্টেন ও পাবলিক স্কুলে উপস্থিত ছিলেন, এবং তিনি তার বাবা-মা এবং দাদা-পিতামাতার দ্বারা প্রদত্ত বই থেকে শিখেছিলেন।
ন্যাশের বাবা-মা তাদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষার সম্পূরক করার সুযোগ করে দিয়েছিল এবং হাই স্কুলের শেষ বছরে স্থানীয় কমিউনিটি কলেজে উন্নত গণিত কোর্স নিতে তাদের ব্যবস্থা করেছিল। তিনি জর্জি ওয়েস্টিংহাউস স্কলারশিপের সম্পূর্ণ সুবিধার মাধ্যমে কার্নেগী ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজিতে (যা পরবর্তীকালে কার্নেগী মেলন ইউনিভার্সিটি) হয়েছিলেন, প্রাথমিকভাবে রাসায়নিক প্রকৌশলে বড় হয়েছিলেন। তিনি তার শিক্ষক জন লাইটন সিঞ্জের পরামর্শে গণিতের ক্ষেত্রে রসায়ন প্রধানের কাছে চলে যান এবং অবশেষে সুইচ করেন।
1948 সালে স্নাতক (19 বছর বয়সে) বি.এস. এবং এমএস গণিতশাস্ত্রে, ন্যাশ প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি গ্রহণ করেন, যেখানে তিনি গণিতের আরও স্নাতক গবেষণায় অংশ নেন। [9] ন্যাশের উপদেষ্টা এবং সাবেক কার্নেগী প্রফেসর রিচার্ড ডাফিন প্রিন্সটনকে ন্যাশের প্রবেশের জন্য সুপারিশের একটি চিঠি লিখেছিলেন, "তিনি একটি গাণিতিক প্রতিভা।" ন্যাশ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়েও গ্রহণযোগ্য ছিলেন। যাইহোক, প্রিন্সটন-এর গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান সলোমন লেফেস্চেজ তাকে জন এস কেনেডি ফেলোশিপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন, ন্যাশকে প্রমাণ করেছিলেন যে প্রিন্সটন তাকে আরো মূল্যবান বলে মনে করছেন।
ব্লুফিল্ডে তার পরিবারের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে তিনি প্রিন্সটনকে আরও সদয়ভাবে বিবেচনা করেছিলেন। প্রিন্সটন-এ, তিনি তার ভারসাম্য তত্ত্বের উপর কাজ শুরু করেন, পরে তাকে ন্যাশ সমার্থক বলে পরিচিত করেন।
১৯৫৯ সালে কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা দেওয়ার সময় তার অস্বাভাবিক আচরণ প্রকটভাবে ধরা পড়ে এবং তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।১৯৫৯ থেকে ১৯৭০, এই দীর্ঘ সময় সে গনিতের বাইরে ছিল।ইনসুলিন শক,উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ওষুধ তাকে গনিতের প্রতি মনোযোগ দিতে ব্যাহত করছিল।তারপর ১৯৭০ সালে সিদ্ধান্ত নিলেন, অনেক হয়েছে, আর নয়।মানসিক শক্তির জোরেই তিনি নিয়ন্ত্রণ করবেন লাল টাই পরা কম্যুনিস্ট দের যারা তার সাথে চক্রান্তে লিপ্ত,যাদের তিনি সৃষ্ট করেছিলেন কল্পনা শক্তির মাধ্যমে।মুভিতে অবশ্য কল্পনার চরিত্র ভিন্ন,তবে সম্ভবত বেশি প্রাসঙ্গিক।
১৯৫৯ সালে MIT তে লেকচার দিতে গিয়ে সেখানকার এক হাসপাতালের নার্সের সাথে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ান,নাম এলানার স্টায়ার।এ পর্যায়ে একটা দীর্ঘশ্বাসের বিরতি নিতে হবে।'A Beautiful Mind' - নামকরণ টা কিছুটা ফিকে মনে হবে।মুভির মহান ন্যাশ কে 'অমানুষ'-ও মনে হতে পারে।ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ স্টায়ারের গর্ভে যখন ন্যাশের সন্তান তখন 'সামাজিক অবস্থান'-এর দুয়ো তুলে স্টায়ার কে ফেলে রেখে ন্যাশ পালিয়ে যান।
পরবর্তীতে এলিশিয়ার সাথে সম্পর্কে জড়ান এবং বিয়ে করেন।যে 'ধৈর্যশীল','মহৎ প্রেমিকা' এলিশিয়ার সাথে আমাদের পরিচয় হয়েছিল মুভিতে,সেই এলিশিয়া ১৯৬৩ তে অসুস্থ ন্যাশকে ডিভোর্স দিয়েছিলেন চাপের কারণে।এক্ষেত্রে হয়ত আমিই ভুল,কারণ তারা আবার বিয়ে করে এবং এই ভালোবাসার ক্ষমতাবলেই হয়ত এক সাথেই পাড়ি জমিয়েছেন এমন স্থানে যেখানে ভালোবাসার শেষ নেই,জীবনের শেষ নেই।
২০০১ এ রিলিজ হওয়া 'A Beautiful Mind' মুভিটা কেন সমালোচিত তা হয়ত এতক্ষণে বুঝা হয়ে গেছে।বায়োগ্রাফিক মুভিতে কিছু সত্যকে পাশ কাটানোই একমাত্র কারণ,তা নাহলে এই অসাধারণ মুভিটির সমালোচক পাওয়া দুষ্কর হবে।
১৯৯৪ তে ন্যাশ নোবেল পান অর্থনীতিতে তার বিখ্যাত 'Game Theory ' এর কারণে।প্রিন্সটনে পিএইচডি করার সময় এই ২৮ পেজের থিওরি প্রকাশ করেন,সেখানেই তার প্রফেশনাল জীবন কেটেছে।এই থিওরিটা বুঝার জন্য হলেও অন্তত এই মুভিটা দেখা উচিত,যে থিওরি এডাম স্মিথকে হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছে।
মৃত্যু:
১৯২৮ সালের ১৩ই জুন জন্ম নেয়া এই ব্যক্তিটি ২০১৫ সালের ২৩শে মে সস্ত্রীক মারা যান, দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। পুলিশ জানিয়েছে, আমেরিকার নিউ জার্সিতে তাদের ট্যাক্সি ড্রাইভার গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে রাস্তার রেলিং-এর সাথে সংঘর্ষের ফলে তারা মারা যান।
soruse : wikipedia ..bigganjatra ...somewhereinblog.....medbox
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0