জ্যাকি শ্রফ এর জীবনী | Biography Of Jackie Shroff
জ্যাকি শ্রফ এর জীবনী | Biography Of Jackie Shroff
|
জ্যাকি শ্রফ
|
|
|---|---|
২০১৭ সালে জ্যাকি শ্রফ
|
|
| জন্ম |
জয়কিষাণ কাকুভাই শ্রফ
১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৭ উদগির, মহারাষ্ট্র, ভারত[১]
|
|
জাতীয়তা |
ভারতীয় |
|
অন্যান্য নাম |
জ্যাকি শ্রফ |
|
পেশা |
অভিনেতা |
|
কর্মজীবন |
১৯৭৮–বর্তমান |
|
পরিচিতির কারণ |
হিরো, ইয়ুধ, কর্ম |
|
দাম্পত্য সঙ্গী |
আয়েশা দত্ত (বি. ১৯৮৭) |
|
সন্তান |
টাইগার শ্রফ কৃষ্ণা শ্রফ |
| ওয়েবসাইট | জ্যাকি শ্রফ |
জয়কিষাণ কাকুভাই "জ্যাকি" শ্রফ (জন্ম: ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৭) একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা। তিনি বলিউডে প্রায় চার দশক ধরে কাজ করে চলেছেন। এ পর্যন্ত হিন্দি, কোঙ্কণী, কন্নড়, মারাঠি, ওড়িয়া, পাঞ্জাবী, বাংলা, মালয়ালম, তামিল ও তেলুগু ভাষায় তিনি প্রায় দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
প্রাথমিক জীবন
কর্ম জীবন
জ্যাকি শ্রফ ১৯৮২ সালে দেব আনন্দের] ছবি স্বামী দাদাতে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রজীবন শুরু করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি সুভাষ ঘাইয়ের চলচ্চিত্র হিরো মীনাক্ষী শেষাদ্রির বিপরীতে অভিনয় করেন। এই চলচ্চিত্রটি বেশ ভাল ব্যবসা করে। এরপরে তিনি সুভাষ ঘাইয়ের প্রায় সব চলচ্চিত্রেই যে কোন ভূমিকায় অভিনয় করেন
। হিরোর পরে তার অন্দর বাহার, জানু, ইয়ুধ চলচ্চিত্রগুলি ব্যবসাসফল হয়। ১৯৮৬ সালে তিনি কর্ম চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন যা সেই বছরের সবচেয়ে বেশি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র ছিল। তার অভিনীত চলচ্চিত্র দেহলিজ, সাচ্চে কা বোল বালা তেমন ব্যবসা করতে না পারলেও সমালোচকদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়। নকশা, সময়: হোয়েন টাইম স্ট্রাইকস ইত্যাদি চলচ্চিত্রে খলনায়কের চরিত্রেও অভিনয় করেছে জ্যাকি।
ব্যক্তিগত জীবন
১৯৮৭ সালের ৫ জুনে জ্যাকি শ্রফ তার দীর্ঘদিনের বান্ধবী আয়েশা দত্তকে তার জন্মদিনে বিয়ে করেন। আয়েশা দত্ত পরবর্তীতে একজন চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসাবে আবির্ভূত হন। তারা দুজনে মিলে জ্যাকি শ্রফ এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি নামে একটি মিডিয়া সংস্থা চালান। তারা যৌথভাবে সনি টিভির প্রায় ১০ শতাংশ শেয়ারের মালিক ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে তারা তাদের শেয়ার বিক্রয় করে দেন। এর মাধ্যমে সনি টিভির সাথে তাদের প্রায় ১৫ বছরের সম্পৃক্ততা শেষ হয়। তাদের একজন ছেলে ও একজন মেয়ে আছে। ছেলে টাইগার শ্রফ বলিউডের অভিনেতা ও মেয়ের নাম কৃষ্ণা শ্রফ। তিনি এশিয়ান অ্যাকাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশনের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ক্লাবের আজীবন সদস্য।
চলচ্চিত্রের তালিকা
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
| সাল | চলচ্চিত্রের নাম | চরিত্র | অন্যান্য তথ্য |
|---|---|---|---|
| ১৯৮২ | স্বামী দাদা | অজানা | |
| ১৯৮৩ | হিরো | জ্যাকি দাদা/জয়কিষাণ | |
| ১৯৮৪ | আন্দার ভাহার | ইন্সপেকটর রবি | |
| যুধ্য | ইন্সপেকটর বিক্রম | ||
| ২০১৫ | ব্রাদার্স | গার্সন ফার্নান্দেজ | |
| চেহেরে | |||
| দিলওয়ালি জালিম গার্লফ্রেন্ড | মিনোচি | ||
| জজবা | স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহেশ মাক্লাই | ||
| ৩:৫৬ কিলারি | মারাঠি চলচ্চিত্র | ||
| শেগাভিচা য়োগী গজানন | মারাঠি চলচ্চিত্র | ||
| মখমল | স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র | ||
| ২০১৬ | হাউসফুল ৩ | উর্জা নাগ্রে | |
| ডার্টি পলিটিক্স | মুখতিয়ার খান | ||
| এটিএম | মালয়ালম চলচ্চিত্র | ||
| চক এন ডাস্টার | |||
| ফ্রিকি আলি | বড় ভাই | বিশেষ উপস্থিতি | |
| লাইফ'জ গুড | রামেশ্বর | ||
| ২০১৭ | খুজলি | গিরিধারীলাল |
মুম্বইয়ের ওয়াকেশ্বর এলাকায় কেটেছে জ্যাকির শৈশব। সাতটি ছোট বিল্ডিং, মাত্র তিনটি বাথরুম। তার মধ্যেই এক ছোট ঘরে পুরো পরিবার নিয়ে থাকতেন তাঁরা। এমনও দিন তিনি কাটিয়েছেন, যখন রাতে ঘুমোনোর সময় ইঁদুর এসে আঙুল কামড়ে দিত। তবে সেই কষ্টকে সঙ্গে নিয়েই নিজের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রেখেছিলেন জ্যাকি। একদিন বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। পরিচালক সুভাষ ঘাই তখনই তাঁকে দেখে ‘হিরো’ ছবির জন্য কাস্ট করেন। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে।
তবে সাফল্যের জমকালো আলো তাঁকে দারিদ্রের যন্ত্রণা ভোলাতে পারেনি । সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি আজও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়ে থাকেন। কোনও অসহায় মানুষকে দেখলেই যথা সাধ্য চেষ্টা করেন পাশে দাঁড়ানোর। জানা গিয়েছে, জ্যাকি শ্রফ প্রায় ১০০ দরিদ্র পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন। মুম্বইয়ের নামী নানাবতী হাসপাতালে একটি স্থায়ী অ্যাকাউন্ট খুলে রেখেছেন তিনি। যেখানে নিয়মিত টাকা জমা দেন দরিদ্র মানুষের চিকিৎসার জন্যে। এমনকি তাঁর স্ত্রী আয়েশা একবার জানিয়েছিলেন, জ্যাকি নিজের আয়ের ৫০ শতাংশই ব্যয় করেন দুঃস্থদের সাহায্যে। যখন তিনি নিজেই কর্মহীন ছিলেন, তখন স্ত্রী থেকে টাকা নিয়ে রাস্তায় নেমে অসহায় মানুষদের সাহায্য করতেন।
শোনা যায়, পালি হিল অঞ্চলের প্রায় সব অসহায় মানুষের কাছেই নাকি রয়েছে ‘জ্যাকি দাদার’ ফোন নম্বর। তাঁরা জানান, “জ্যাকি দাদা আমাদের বলেছেন, রাতে যদি না খেয়ে থাকতে হয়, ফোন করো, আমি খাবার পাঠাব। দরকার হলে যে কোনও সময় ফোন করো, আমি চলে আসব।” আর এই খবর ছড়িয়ে পড়া মাত্রই প্রশংসায় পঞ্চমুখ সাধারণ মানু
soruse : wikipedia
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0