জোসেফ প্রিস্টলি এর জীবনী | Biography of Joseph Priestley

জোসেফ প্রিস্টলি এর জীবনী | Biography of Joseph Priestley

May 15, 2025 - 12:46
May 19, 2025 - 17:14
 0  2
জোসেফ প্রিস্টলি এর জীবনী | Biography of Joseph Priestley

অক্সিজেন আবিষ্কার এবং জোসেফ প্রিস্টলি

জন্ম

১৩ মার্চ, ১৭৩৩

মৃত্যু

৬ ফেব্রুয়ারি, ১৮০৪

পরিচিতির কারণ

উদ্ভাবক

বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন

কর্মক্ষেত্র রসায়ন

জোসেফ প্রিস্টলি

(১৩ মার্চ ১৭৩৩ - ৬ ফেব্রুয়ারি ১৮০৪):একজন ইংরেজ রসায়নবিদ, রাজনৈতিক তাত্ত্বিক, প্রথাবিরোধী ধর্মতাত্ত্বিক ও খ্রিস্টান ধর্মযাজক। তাঁকে অষ্টাদশ শতকের সেরা ব্রিটিশ রসায়নবিদ হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি মূলত গ্যাসীয় পদার্থসমূহের পরীক্ষামূলক রসায়নে তাঁর কাজের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাঁর আগে বিজ্ঞানীরা মনে করতেন বায়ু কেবলমাত্র কার্বন ডাই-অক্সাইড ও হাইড্রোজেন দিয়ে গঠিত। প্রিস্টলি বাতাসে আরও ১০টি গ্যাসের অস্তিত্ব প্রমাণ করেন, যার মধ্যে আছে নাইট্রোজেন, অক্সিজেন, কার্বন মনোক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড, ইত্যাদি। তিনি কাগজে পেন্সিলের দাগ ঘষে তোলার জন্য রবারের ইরেজার ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের বুদবুদসমৃদ্ধ ঝাঁজালো পানীয় (সোডাপানি) উদ্ভাবন করেন।

প্রিস্টলি ১৭৩৩ সালের ১৩ মার্চ ইংল্যান্ডের লীডসে জন্ম নেন। তিনি যাজক ছিলেন। তিনি কার্বন ডাই অক্সাইড আবিষ্কার করেন। তিনি ১৭৭৪ সালের ১ আগস্ট অক্সিজেন তৈরি করেন।[] ১৭৯১ সালে লন্ডন থেকে বিতাড়িত হন। তিনি এর পর কার্বন মনোক্সাইড তৈরি করেন। তিনি ১৮০৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়াতে মারা যান।

একজন ধর্মযাজক হিসেবে, জোসেফ প্রিস্টলিকে একজন অপ্রচলিত দার্শনিক হিসেবে বিবেচনা করা হত, তিনি ফরাসি বিপ্লবকে সমর্থন করেছিলেন এবং তার অজনপ্রিয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ১৭৯১ সালে ইংল্যান্ডের লিডসে তার বাড়ি এবং চ্যাপেল পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ১৭৯৪ সালে প্রিস্টলি পেনসিলভানিয়ায় চলে আসেন।

জোসেফ প্রিস্টলি ছিলেন বেঞ্জামিন ফ্র্যাঙ্কলিনের বন্ধু , যিনি ১৭৭০-এর দশকে রসায়নের দিকে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়ার আগে ফ্র্যাঙ্কলিনের মতো বিদ্যুৎ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন।

বাল্যকালের পড়ালেখা:

তিনি খুব ভালো ছাত্র ছিলেন। বেশ অল্পদিনের মধ্যেই তিনি ইংরেজী,ফরাসি,ইতালিয়ান,আরবী ও জার্মান ভাষা শিখে ফেলেন।

সেসময় তিনি গণিতশাস্ত্রও শিখতে লাগলেন। বিশেষ করে বীজগণিত ও জ্যামিতিতে তার ছিলো বেশ আগ্রহ।

যাজকের পদ গ্রহণ;

এরপর তিনি অনার্স (স্নাতক) পাশ করার পর ধর্মযাজক-এর পদ গ্রহণ করেন।কিন্তু এ পদে সামাজিক মর্যাদা থাকলেও তেমন বেতন ছিলো না।যা বেতন পেতেন তা দিয়ে তেমন চলত না। তাই কাজের ফাকে ফাকে তিনি শিক্ষকত ও প্রাইভেট টিউশনি শুরু করেন।

জোসেফ প্রিস্টলি - অক্সিজেনের সহ-আবিষ্কার

প্রিস্টলিই প্রথম রসায়নবিদ যিনি প্রমাণ করেছিলেন যে দহনের জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য এবং সুইডিশ কার্ল শিলের সাথে অক্সিজেনকে গ্যাসীয় অবস্থায় বিচ্ছিন্ন করে অক্সিজেন আবিষ্কারের কৃতিত্ব দেওয়া হয়। প্রিস্টলি গ্যাসটির নামকরণ করেছিলেন "ডিফ্লোজিস্টিকেটেড এয়ার", পরে অ্যান্টোইন ল্যাভোইসিয়ার অক্সিজেন নামকরণ করেন। জোসেফ প্রিস্টলি হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড, নাইট্রাস অক্সাইড (হাসি গ্যাস), কার্বন মনোক্সাইড এবং সালফার ডাই অক্সাইডও আবিষ্কার করেছিলেন।

সোডা ওয়াটার

১৭৬৭ সালে, জোসেফ প্রিস্টলি প্রথম পানযোগ্য কার্বনেটেড জলের গ্লাস (সোডা ওয়াটার) আবিষ্কার করেছিলেন।

জোসেফ প্রিস্টলি ডাইরেক্টেশনস ফর ইমপ্রেগনেটিং ওয়াটার উইথ ফিক্সড এয়ার (১৭৭২) নামে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন , যেখানে সোডা ওয়াটার কীভাবে তৈরি করতে হয় তা ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। তবে, প্রিস্টলি কোনও সোডা ওয়াটার পণ্যের ব্যবসায়িক সম্ভাবনা কাজে লাগাননি।

ইরেজার

১৫ এপ্রিল, ১৭৭০ সালে, জোসেফ প্রিস্টলি ভারতীয় গামের সীসা পেন্সিলের দাগ ঘষে বা মুছে ফেলার ক্ষমতা আবিষ্কারের কথা লিপিবদ্ধ করেন। তিনি লিখেছিলেন, "আমি এমন একটি পদার্থ দেখেছি যা কাগজ থেকে কালো সীসা পেন্সিলের দাগ মুছে ফেলার উদ্দেশ্যে চমৎকারভাবে অভিযোজিত।" এগুলি ছিল প্রথম ইরেজার যা প্রিস্টলি "রাবার" বলে অভিহিত করেছিলেন।

তার অবদান:

ইংরেজী ব্যাকরণ লিখা; শিক্ষার সাথে সাথে জড়িত থাকতে থাকতে তিনি ইংরেজী ব্যাকরণের প্রতি আগ্রহী হওয়ার দরুন ভালো একটি ইংরেজী ব্যাকরণ লিখেন। তখন যেসব ব্যাকরণ পড়ানো হতো সেগুলোতে বেশ ত্রুটি-বিচ্যুতি ছিলো।বইটি বেশ জনপ্রিয়তা পায়। চারিদিকে তার যথেস্ট নামও হলো।এর ফলে তার একটি ভালো চাকরিও জুটে গেলো। তিনি ডিসেন্টার্স একাডেমীতে ভাষা শিক্ষকের একটি চাকরি পেয়ে গেলেন।

বৈজ্ঞানিক গবেষণার শুরু: প্রথমে তিনি ভাষার শিক্ষক হিসেবে যোগদান করলেও পরে তিনি রসায়ন বিভাবে যোগদান করেন। এরপর তার রসায়নের প্রতি আগ্রহ বেড়ে যায় এবং তিনি শুর করলেন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরীক্ষা।



তড়িতবিজ্ঞান নিয়ে গবেষণা: বিখ্যাত বিজ্ঞানী বেঞ্জামিন ফ্র্যাংকলিন লন্ডন বেড়াতে আসলে তিনি তার সাথে দেখা করেন। বিজ্ঞানী ফ্র্যাংকলিন তাকে পরামর্শ দেন তড়িতবিজ্ঞানের উপর বই লেখার।

বই লেখা শুরু করতে গিয়ে তিনি বেশ সমস্যায় পড়েন ।কারণ তখনও এ বিষয় নিয়ে তেমন কোন গবেষণা হয় নি।তার উপর এ বিষয়ে কোন রেফারেন্স বই ছিলো না। এগুলো নিয়েই গবেষণা করতে গিয়ে আবিষ্কার করলেন যে, কার্বন একটি বিদ্যুত সুপরিবাহী বস্তু।

এ বিষয় নিয়ে তার বই লেখা শেষ হয় ১৭৬৫ সালে। তার বইয়ের নাম হলো-“তড়িতের ইতিহাস ও তার বর্তমান অবস্থা”।

বইটি বেশ সুনাম অর্জন করলো। তার নাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লো।তখন তার বয়স মাত্র ৩২বছর।

এই বই প্রকাশের পরের বছর তিনি রসায়ন সোসাইটির সদস্য মনোনীত হলেন। এ সময় তার পূর্বের ধর্মযাজকের পদটি বহাল ছিলো।

পরিবার গঠন: এ সময়ে তাক চ্যাপেলে বদলি করে দেওয়া হলো। নতুন কর্মস্থলে তিনি বিয়ে করে সংসার পাতলেন।


গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারসমূহ :

কার্বনডাইঅক্সাইড গ্যাস আবিষ্কার: তিনি চ্যাপেলে যেখানে বাস করতেন তার বাসার পাশেই একটি মদের কারখানা ছিলো। মদের গন্ধ থেকেই তিনি নতুন চিন্তায় মগ্ন হলেন। তিনি আবার রসায়নশাস্ত্রের উপর গবেষণা শুরু করলেন।

এরপর তিনি তার বাড়িতে গবেষণা করার সময় একটি পাত্রে ক্যালসিয়াম কার্বনেট বা খড়িমাটি নিয়ে তাতে সালফিউরিক এসিড ঢাললেন।যে পাত্রে ঢাললেন তার মুখে একটি কাচের নল লাগানো ছিলো। তিনি লক্ষ করলেন যে, নলের মুখ দিয়ে কী এক ধরণের গ্যাসীয় পদার্থ বের হয়ে গেল।

এটিকেই তিনি নাম দিলেন “স্থির বায়ু”।কারণ তখনকার দিনে সব গ্যাসীয় পদার্থকে বায়ু বলা হতো। আসলে এটিই ছিলো কার্বনডাই অক্সাইড।

সোডা ওয়াটার আবিষ্কার: পরে এই বায়ু নিয়ে গবেষণা করতে করতে তিনি একে পানির মধ্য দিয়ে পরিচালিত করে আবিষ্কার করেন সোডা ওয়াটার।

বর্তমান কালের কোকাকোলা,ফানটা, সেভেনআপ, পেপসি,আরসি প্রভৃতি কিন্তু প্রিস্টলির সোডাওয়াটার দিযেই তৈরী।

সোডা ওয়াটার তৈরী করার পরই তিনি এর বাণিজ্যিক ব্যবহারের চেষ্টা করেন। তৈরী করলেন সোডা ওয়াটার তৈরীর কারখানা। বিক্রি হওয়ার পাশাপাশি তার নামও ছড়িয়ে পড়লো।

এই কৃতিত্বের জন্য রয়্যাল সোসাইটি তাকে দান করলো, “কেপলে পদক”।

অক্সিজেন আবিষ্কার:

এটিই তার জীবনের সর্বাধিক বড় আবিষ্কার।

এটি সংগঠিত হয়েছিলো ১৭৭৪সালের ১আগস্ট। আর এটি ছিলো প্রিস্টলির আকস্মিক আবিষ্কার।

তিনি নিজের ঘরে বসে গবেষণা করছিলেন। একটি পাত্রে কিছু পরিমাণ সালফিউরিক অক্সাইড নিয়ে উত্তপ্ত করছিলেন। এর পর তিনি উল্লেখ করলেন যে, পাত্রটি থেকে এক প্রকার গ্যাসীয় পদার্থ বের হয়ে যাচ্ছে। তিনি এই গ্যাসটি একটি পাত্রে সংরক্ষণ করে শুরু করলেন গবেষণা।

তিনি দেখতে পেলেন এই বায়ুর মধ্যে কোন জ্বলন্ত মোমবাতি প্রবেশ করালে তা আরও সতেজ হয়ে উঠে।

এই নবআবিষ্কৃত বায়বীয় পদার্থটি একটি পাত্রে ভরে তার মধ্যে ছেড়ে দিলেন একটি ইদুর ছানা। তারপর পাত্রের মুখ এটে দিলেন। হিসেবমতো ঈদুরটি কিছুক্ষণের মধ্যে মারা যাওয়া কথা। কিন্তু এটি যত শীঘ্র মারা যাওয়ার কথা তার চেয়ে বেশী বেচে থাকলো।

প্রিস্টলি এ থেকে ধারণা করলেন যে, এটিতে এমন কোন উপাদান আছে যা মোমবাতি জ্বলতে সাহায্য করে। তেমনি প্রাণীদের শ্বাস-প্রশ্বাসেও সহায়তা করে।

তিনি এটি আবিষ্কার করলেও এটির নাম দেন নি।এর নাম দেন বিখ্যাত ফরাসি রসায়নশাস্ত্রবিদ লরা ল্যাভয়সিয়ে।

প্রিস্টলি যখন ফ্রান্সে যান তখন তিনি ল্যাভয়সিয়ের সাথে দেখা করেন এবং ল্যাভয়সিয়ে এটি পরীক্ষা করে দেখেন তারপর এর নাম দেন অক্সিজেন।



আরও অনেক গ্যাস আবিষ্কার: 

অক্সিজেন ছাড়াও প্রিস্টলি আরও কয়েকটি নতুন গ্যাস আবিষ্কার করেন। এগুলো হলো কার্বন মনোক্সাইড,অ্যামোনিয়া, নাইট্রেট অক্সাইড, নাইট্রোজেন এবং সালফার ডাই অক্সাইড।



হাইড্রোজেন গ্যাস নিয়ে গবেষণা: 

এরপর তিনি খবর পান যে, বিজ্ঞানী ক্যাভেন্ডিস “জ্বালানী বায়ু” বা হাইড্রোজেন আবিষ্কার করেন। তখনও কেউ হাইড্রোজেন গ্যাস সম্পর্কে কিছু জানতো না।এর নাম শোনার পর প্রিস্টলি নিজেও এ গ্যাসটি সম্পর্কে উত্সাহী হন এবং গবেষণা শুরু করেন।

একদিন তিনি পাত্রের মধ্যে লেড অক্সাইড নিয়ে পাত্রে হাইড্রোজেন গ্যাস ভরে পাত্রের মুখ বন্ধ করে দিলেন। তারপর উত্তপ্ত করতে লাগলেন। খানিকক্ষণ পর দেখা গেল পাত্রের নিচে তলানি হিসেবে কিছু লেড পড়ে আছে। তিনি আরও দেখলেন যে, পাত্রের গায়ে বিন্দু বিন্দু পানি জমা হয়েছে। তখন তিনি এই পানি জমা হওয়ার কোন কারণ বুঝতে পারেননি। পরে বিজ্ঞানীরা জানতে পারেন, অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন এ দুটির গ্যাস নিয়ে পানির সৃষ্টি হয়।



প্রিস্টলি’র লিখনী :

প্রিস্টলি শুধুমাত্র বিজ্ঞানী ছিলেন না তিনি ছিলেন একজন ভাল লেখক। তিনি নানা বিষয়ের উপর অনেকগুলো বই লিখেছেন।

তিনি ১৭৬৭ থেকে ১৭৭৩সাল পর্যন্ত লিড্স-এর চ্যাপেলের ধর্মযাজক ছিলেন। এ সময় তিনি ধর্ম ও শিক্ষার উপর প্রায় ৩০টির মতো বই লিখেছেন। এরপর তিনি ১৭৭৩-১৭৭৯ সাল পর্যন্ত লর্ড সেলাবার্নের ব্যক্তিগত লাইব্রেরীর দায়িত্বে। এ সময়েও তিনি প্রায় ২০টি বই লিখেছিলেন।



পুনরায় গীর্জার পুরোহিতের পদ গ্রহণ:

 ১৭৮০সালে তিনি বার্মিংহাম থেকে আমন্ত্রণ পেলেন সেখানকার গির্জার পক্ষ থেকে পুরোহিতের পদ গ্রহণ করতে। তিনি সানন্দে এই পদ গ্রহণ করেন।এখানে এসে তার অনেক উপকার হয়। সে যুগের অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী ও জ্ঞানীগুণীদের সাথে তার সাক্ষাত হয়। এদের মধ্যে ছিলেন ডারউইন, জেমস ওয়াট, উইলিয়াম হার্শেল প্রমুখ।



নতুন ধর্ম মত প্রচার:

প্রিস্টলি বার্মিংহামে ছিলেন ১৭৮০ থেকে ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। তিনি ছিলেন একটি নব্য ধর্মসম্প্রদায়ের ধর্মযাজক। তিনি এই নতুন ধর্মের নতুন মতবাদের উপর অনেকগুলো ধর্মীয় প্রবন্ধ লিখলেন। এতে প্রাচীনপন্থিরা তার উপর ক্ষেপে গেল। ধীরে ধীরে তার বিরুদ্ধবাদীদের সংখ্যা বাড়তে লাগলো। কিন্ত ব্যাপারটা তেমন আমল দিলেন না।



ফরাসি বিপ্লবের প্রতি সমর্থন:

এমনকি তিনি প্রকাশ্যেই ফরাসি বিপ্লবের প্রতিও সমর্থন দিতে লাগলেন।তাতে তার বিরুদ্ধবাদীরা তার উপর আরও ক্ষেপে গেল।

শেষে ১৭৯১ সালে তার বাড়িতে বিরুদ্ধবাদীরা আগুন জালিয়ে দিলো।সবকিছু জ্বালিয়ে দেয়। বইপত্রসহ সবকিছু নষ্ট হলো। এ সময় প্রিস্টলি বাড়িতে ছিলেন না, এ খবর শুনার পর তিনি ধর্মযাজকের পদ ছেড়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে চলে আসেন লন্ডনে।

আমেরিকায় গমন: লন্ডনে এসেও তিনি রেহাই পেলেন না।তার বন্ধুরাও তাকে এড়িয়ে চলতে লাগলো। এরপর তিনি বাধ্য হয়ে তাকে লন্ডনও ছাড়তে হলো। তিনি পাড়ি দেন আমেরিকায়। ১৯৯১সালে তিনি আমেরিকার পেনসিলভ্যানিয়ায গিয়ে উঠলেন।

স্বদেশের মাটিতে অপমাণিত হলেও নিউইয়র্কে এসে তিনি বেশ সমাদর পেলেন।বেঞ্জামিন ফ্রাংকলিন তাকে সাদরে গ্রহন করলেন।তার মাধ্যমেই পরিচয় হলো টমাস জেফারসন ও জর্জ ওয়াশিংটনের সঙ্গে।

What's Your Reaction?

Like Like 0
Dislike Dislike 0
Love Love 0
Funny Funny 0
Angry Angry 0
Sad Sad 0
Wow Wow 0