আইজাক নিউটনের জীবনী-biography of isaac newton
আইজাক নিউটন
বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন এর সংক্ষিপ্ত জীবনী
তার জন্ম তারিখের হিসাবে মজার গণ্ডগোল আছে। ইংল্যান্ডের জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী আইজ্যাক নিউটনের জন্ম ১৬৪২ সালের ২৫ ডিসেম্বর ক্রিসমাসের দিনে।
সেই সময় ইউরোপের সব জায়গায় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু হয়ে গেলেও ইংল্যান্ডে ১৭০০ সাল পর্যন্ত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু হয়নি। ইংল্যান্ডের জুলিয়ান ক্যালেন্ডার গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের তারিখ থেকে ১০ দিন পিছিয়ে ছিল।
সেই হিসাবে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নিউটনের জন্ম তারিখ ৪ জানুয়ারি ১৬৪৩। তার পিতার নামও ছিল আইজ্যাক নিউটন।
নিউটনের জন্মের কয়েক মাস আগেই পিতার মৃত্যু হয়। তার মা হ্যানা এইসকফ, স্বামীর স্মৃতি হিসেবে পুত্রের নাম রেখেছিলেন আইজ্যাক নিউটন।
নিউটনের যখন দুই বছর বয়স, তখন তার মা নিকটস্থ গির্জার পাদ্রি বার্নাবাস স্মিথকে বিয়ে করেন। এই বিবাহকালে তিনি তার সব সম্পত্তি নিউটনের নামে লিখে দেন।
বিধবা মায়ের সঙ্গে জীবনের প্রথম তিন বছর কেটে যায়। এ সময় তার মা বিবাহ করেন। নিউটন তার নানা-নানির কাছে লালিত-পালিত হন।
এতিম অবস্থায় তার শৈশব ও কৈশোর কাটে। গ্রামের পাঠশালাতে তার শিক্ষাজীবনের শুরু হয়। ১২ বছর বয়স পর্যন্ত তিনি স্কুলটিতেই লেখাপড়া করেন।
শিক্ষাজীবন
এরপর নিউটনকে বাড়ি থেকে সাত মাইল দূরে গ্রান্থাম গ্রামের কিং স্কুলে ভর্তি করানো হয়। এ সময় তার অসাধারণ মেধার পরিচয় পাওয়া যায়।
জন্মলগ্ন থেকে নিউটন ছিলেন রুগণ প্রকৃতির। তবু তার দুষ্টুমির কমতি ছিল না। অন্যদিকে বালক নিউটনের জ্ঞান প্রতিভায় শিক্ষকরা মুগ্ধ হয়ে যান।
১৬৬১ সালে ১৯ বছর বয়সে কেমব্রিজের ট্রিনিটি কলেজে ভর্তি হন নিউটন। তার সহপাঠীরা সবাই বয়সে তার চেয়ে তিন-চার বছরের ছোট ছিল।
এ সময় গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা এবং পদার্থবিদ্যায় অসাধারণ দক্ষতা প্রদর্শন করেন। তিনি অবদান রেখেছেন আলো ও বর্ণের সম্পর্ক, মহাকর্ষ বলের গাণিতিক সূত্র ও গতির সূত্র আবিষ্কারে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানে নিউটনের গতিবিদ্যা প্রয়োগ করার পর বিগত কয়েক হাজার বছরের চেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই।
গণিতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা ক্যালকুলাসের উৎপত্তি ও বিকাশের অন্যতম নায়ক ছিলেন আইজ্যাক নিউটন।
নিউটনের প্রিজম
বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটন ছিলেন একাধারে একজন রসিক ও আত্মমগ্ন ব্যক্তি। তিনি যখন কোনো বৈজ্ঞানিক বিষয়ে গবেষণা করতেন তখন তার চারপাশের সবকিছুই যেন ভুলে যেতেন।
নিউটন ছিলেন একজন গবেষণাপ্রিয় মানুষ। তিনি সব সময় নতুন কিছু আবিষ্কারের চেষ্টা করতেন। এক দিন একজন লোক তার বাড়িতে এসে একটা প্রিজম দেখিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন এর দাম কত হতে পারে।
এ সময় নিউটন প্রিজমের বৈজ্ঞানিক গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে বললেন, এর সঠিক মূল্য নির্ণয় করা তার সাধ্যের বাইরে। তাই লোকটি বেশি দাম চাইল।
নিউটনের ঘড়ি
নিউটন ছিলেন একজন দক্ষ কারিগর। তিনি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র তৈরি করতে পারতেন। নিউটনের শিক্ষক স্কুলে দেরি করে আসতেন।
নিউটন তার শিক্ষককে দেরি না করে স্কুলে আসতে সাহায্য করার জন্য একটি কাঠের ঘড়ি তৈরি করলেন। এই ঘড়িতে একটি পানির পাত্র ছিল।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ পানি সেই পাত্রে ঢেলে দেওয়া হতো। ঘড়ির কাঁটার ওপর থেকে ফোঁটা ফোঁটা পানি পড়ত। এর ফলে ঘড়ির কাঁটা আপন গতিতেই এগিয়ে চলত।
এ ছাড়া নিউটনের জীবনে আরও অনেক মজার ঘটনা ঘটেছে। তিনি ছিলেন একজন উদার এবং সহযোগিতাপ্রিয় ব্যক্তি। তিনি সব সময় অন্যদের সাহায্য করতেন।
নিজেই নিজের বিরাট তত্ত্বকে সঠিকভাবে চিনতে পারেননি বিজ্ঞানী নিউটন। তার ভাষায় তিনি বলেন, ‘আমি এত দিন কেবল নুড়ি পাথর কুরিয়েছি।
নিউটনের গবেষণা কর্ম ও সাফল্যঃ
গণিতঃ
বর্তমানে ইতিহাসবিদদের মতে নিউটন এবং লাইবনিজ নামক বিজ্ঞানীর অবদানে গণিতের একটি নতুন শাখার উউদ্ভাবন হয় যা ক্যালকুলাস নামে পরিচিত। এটি পদার্থবিজ্ঞান এবং গনিতের জগতে কত বড় সাফল্য তা আপনার আমার চেয়ে বিজ্ঞানীরা ভালো বোঝে। (লাইবনিজ)
ক্যালকুলাসের আবিষ্কারক নিয়ে বিজ্ঞানীদের মাঝে মতভেদ আছে। স্টিফেন হকিং নামক এক বিজ্ঞানী তার ব্রিফ হিস্টরি অফ টাইম গ্রন্থে নিউটনকে চতুর ও মিথ্যাবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলো। শোনা যায় এ বিষয় নিয়ে বিতর্ক হয়েছিলো যা নিউটন বনাম লাইবনিজ ক্যালকুলাস বিতর্ক নামে বহুল পরিচিতি লাভ করে। এ নিয়ে সমালোচনার অভাব ছিলো না বিজ্ঞানের জগতে।
এছাড়াও নিউটন দ্বিপদী উপপাদ্যের একটি সাধারণ রুপ আবিষ্কারের জন্য খ্যাত। এই রুপটির এর একটি সমস্যা আছে অর্থাৎ এটি যেকোন ঘাতের জন্য প্রযোজ্য হয়। এছাড়াও নিউটন আরো বহুল আবিষ্কার এর আবিষ্কাকারক। যেমন- নিউটনের আইডেনটিটি, নিউটনের পদ্ধতি ও শ্রেণীবিন্যাসকৃত ঘনতলীয় বক্র ইত্যাদি।
অয়লারের যোগফল সুত্রের পূর্বসুরী হিসেবে চিহ্নিত হয় যা নিউটন লগারিদমের মাধ্যমে হারমোনিক ধারার আংশিক সমষ্টির আনুমানিক মান নির্ণয় করেন। নিউটনই প্রথম ব্যক্তি যিনি আত্মবিশ্বাসের সাথে পাওয়ার সিরিজ ব্যবহার করেন এবং একে রিভার্ট করেন। এছাড়া পাই এর জন্য একটি নতুন সুত্রের উদ্ভাবন তিনিই করেন।
লিংকনশায়ারে গবেষণা কাজঃ
উলসথর্প থেকে ফিরে আসার পরেও নিউটন থেমে থাকেননি। তিনি এসেই আবার গবেষনা শুরু করেন। আলোকবিজ্ঞান এবং রসায়নের বিভিন্ন শাখার ওপর গবেষণা চালিয়ে যেতে থাকেন। সেই সাথে থেমে থাকেনি তার গাণিতিক অনুধ্যানের প্রকল্পগুলো। ১৭৬৬ সালে নিউটনকে ট্রিনিটি কলেজ ছাড়তে হয় এবং তার মহাকর্ষ তত্ত্ব আবিষ্কার বিষয়ক লেখ্যর সুচনা এই সালেই করেছিলেন। নিউটন বলেছিলে এই সালেই আমি চাদের কক্ষপথে অভিকর্ষ নিয়ে ভাবতে থাকি।তিনি এটাও বলেন যে, চাদকে তার নিজ কক্ষপথে থাকতে প্রয়োজনীয় বল এবং পৃথিবীতে বিরাজমান অভিকর্ষ বলের সাথে তুলনা করি এবং এই দুটি বলের মান আনুমানিক একই লাগছিলো।
একই সময়ে তিনি আর একটি মৌলিক পরীক্ষণের কাজ সম্পন্ন করেন যা ছিলো আলোক বিজ্ঞান বিষয়ে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে তিনি সাদা আলোর গাঠনিক বিষয়ে জানতে সক্ষম হন। আলোক বিজ্ঞান বিষয়ে তিনি নিজেই বলেন, এই সব কিছু আমার করতে মাত্র দুই বছর সময় লেগেছে অর্থাৎ ১৬৬৫ ও ১৬৬৬ সালের মাঝে। কারণ নিউটন বলে আমি আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়ের তুলনায এই সময়ে আমি বিশেষ উল্লেখযোগ্য পর্যায়ে ছিলাম যে সময়ে উদ্ভাবন, মনকেন্দ্রিক গণিত এবং দর্শন চিন্তার বিকাশ ঘটেছিল।
প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা প্রকাশঃ
১৬৮৪ সালের আগে নিউটন মহাকর্ষ সম্পর্কে তার গবেষণা কর্মগুলো প্রচারের তেমন কোন উদ্যোগ নেন নি। তার মধ্যে রবার্ট হুক, এডমান্ড হ্যালি এবং স্যার ক্রিস্টোফার রেন মহাকর্ষ সম্বন্ধে গবেষণা করে বিচ্ছিন্নভাবে কিছু তত্ত্ব বা তথ্য আবিষ্কার করেছিলেন।
নিউটন বিজ্ঞানী এডমুন্ড হ্যালির কাছে ৭ টি সমস্যা ও ৪ টি উপপাদ্য প্রস্তাব করেন যেগুলো তার গবেষণা প্রধান বিষয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। আনুমানিক সতের শতকের দিকে আঠার মাসে তিনি লেখেন তার সবচেয়ে বিখ্যাত বইটি অর্থাৎ ফিলোসফিয়া ন্যাচারালিস প্রিন্সিপিয়া ম্যাথামেটিকা। এই বইটির ইংরেজি নাম দেয়া হয় Mathematical Principles of Natural Philosophy।
এই বইটি তিনটি খন্ডে বিভক্ত। নিউটন নাকি তৃতীয় খন্ডকে সংক্ষিপে লিখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিজ্ঞানী এডমুন্ড হ্যালি তাকে তৃতীয় অংশটি বিস্তারিত লেখার ব্যাপারে অনুরোধ করেছিলেন। রয়েল সোসাইটিতে বইটি প্রকাশ করতে অর্থের অভাব দেখা দেয়। এবারও বিজ্ঞানী হ্যালিই সাহায্য করেন। তিনি গ্রন্থটি প্রকাশের সমস্ত দায়িত্ব গ্রহন করেন। ফলে ১৬৭৮ সালে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতের জগতে অমুল্য এই বইটিত দেখা পাওয়া যায়। বইটি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিলো যে পুরো ইউরোপ সারা ফেলতে অল্প সময়ই লেগেছিলো। এর ধারাবাহিকতায় তখন কার সময়ে সবচেয়ে বিখ্যাত বিজ্ঞানী হিসেবে পরিচিতি পান ক্রিশ্চিয়ান হাইগেনস। তিনি ১৬৮৯ সালে নিউটনের সাথে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার জন্য ইংল্যান্ডে যান।
বলবিজ্ঞান এবং মহাকর্ষঃ
১৬৭৯ সালে নিউটন মহাকর্ষ এবং বিশেষত বলবিজ্ঞান এবং গ্রহসমুহের উপর এর প্রভাব নিয়ে তার নিজস্ব গবেষণায় ফিরে আসেন। এক্ষেত্রে গ্রহেত গতি সম্পর্কে কেপলারের সুত্রকে তিনি উৎস হিসেবে ব্যবহার করেন।পরে তিনি এ বিষয় নিয়ে বিজ্ঞানী রবার্ট হুক ও জন ফ্ল্যামস্টিডের সাথে আলোচনা করেন। প্রাপ্ত প্রয়োজনীয় তথ্য দ্য মটু করপোরাম নামক একটি বইয়ে প্রকাশ করেন। প্রিন্সিপিয়া বইয়ের প্রধান প্রধান নীতিসমুহ এই বইটিতে ছাপিত হয়েছিল।
সরকারী চাকরি এবং ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে গবেষণাঃ
প্রিন্সিপিয়া বইটিতে প্রয়োজনীয় মুলনীতিসমুহ নিয়ে কাজ করার সময়ই নিউটন বিশ্ববিদ্যালয় কাজগুলোতে আরো মনোযোগী হয়ে ওঠেন। একই সময় রাজা জেমস দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বময় কাজ এবং আনুগত্যের শপথ মানতে অস্বীকার করেন।নিউটন তার এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ করেন ফলে তিনি কেমব্রিজের সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ পান। রাজনীতির কাজ একসময় শেষ হয় এবং তিনি পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। এ সময় তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে যান। এই অসুস্থতার কারনে তিনি আনুমানিক পনেরো মাসের মতো গবেষণা কর্মে অক্ষম ছিলেন।
এর ফলে তার সহকর্মী, বন্ধু ও বান্ধবের মাঝে চিন্তার সৃষ্টি হয়। রোগ থেকে যখন আরোগ্য লাভ করেন তখন তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করে সরকারের জন্য কাজ শুরু করেন। তার বন্ধু লক, লর্ড হালিফাক্স এবং রেন সাহায্যে তিনি প্রথমে ১৬৯৫ সালে ইংল্যান্ড সরকারের ওয়ার্ডেন অফ দ্যা মিন্ট ও পরে মাস্টার অফ দ্যা মিন্ট পদে নিযুক্ত হন। তিনি এই মাস্টার অফ দ্য মিন্ট পদে মৃত্যু পর্যন্ত বহাল ছিলেন।
অন্যদিকে জীবনের শুরু থেকেই নিউটন ধর্মতত্ত্ব বিষয়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী ছিলেন। এছাড়াও তিনি ১৬৯০ সালের পুর্বে থেকেই তিনি ধর্মীয় ভবিষ্যত বানী নিয়ে পড়াশোনা করতেন। তিনি তার বন্ধু লকের কাছে লেখা পত্রে এ সম্বন্ধে বিস্তারিত বর্ণনা দেন বলে শোনা যায়। এই পত্রটির একটি নাম ছিল যা An Historical Account of Two Notable Corruptions of The Scriptures। এই পত্রটি ছিলো ট্রিনিটি এর দুটি প্যাসেজ সম্পর্কে লেখা একটি পত্র। এছাড়াও তিনি মৃত্যুর আগে একটি লেখ্য লেখেন অর্থাৎ পান্ডুলিপি। এর নাম দেন Observations on the Prophecies of Daniel and the Apocalypse। এছাড়াও বাইবেলের কিছু ভাষ্য, সমালোচন এবং টীকা তিনি লিখেছিলেন।
নিউটনের গতির সূত্রঃ
নিউটনের গতির তিনটি সুত্র রয়েছে যা সবাই জানে। যা নিম্নরুপঃ
১. বাহিরে থেকে কোন বল প্রয়োগ না করলে স্থির বস্তু স্থির থাকে আর গতিশীল বস্তু আজীবন গতিশীল থাকে। এটাকে জড়তার সুত্র ও বলা হয়।
২. বস্তুর ভর ও বেগ এর গুনফলকে ভরবেগ বলে। এর পরিবর্তনের হার এর উপর প্রযুক্ত বলের সমানুপাতিক এবং বল যে দিকে কাজ করে বস্তুর ভরবেগের সেদিকে পরিবর্তিত হয়।
৩. সব কাজেরই একটি সমান ও বিপরীত প্রতি কাজ রয়েছে।
নিউটনের মৃত্যুঃ
তিনি যখন আসুস্থ হয়ে যান তখন তার বয়স ছিলো ৮০ বছর। নিউটন হজম সংক্রান্ত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিলেন বলে শোনা যায় এবং তার জীবনযাপন ব্যাপকভাবে পরিবর্তন করে ফেলেছিলেন। ১৭৭২ সালের মার্চ মাসে তার পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয় ফলে কালো হয়ে যায় তিনি এব চেতনা শক্তি হারিয়ে ফেলেন। ১৭৭৬ সালের ৩১ এ মার্চ আমাদের এই বিজ্ঞানীর জীবনাবাসন ঘটে। তিনি যখন মারা যান তখন তার বয়স ছিলো ৮৪ বছর।
স্যার আইজাক নিউটনের সুখ্যাতি তার মৃত্যুর পরে আরও বেশি বেড়ে যায়।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Angry
0
Sad
0
Wow
0